দুমকি.(পটুয়াখালী)সংবাদদাতা: পটুয়াখালীর দুমকিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দিরসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তর নিজেদের উদ্যোগে নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্যরা। ৫ আগস্ট সোমবার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এর পর থেকেই দেশে শুরু হয় নৈরাজ্য হামলা ভাংচুর জালাও পোড়াও। হামলা থেকে বাদ পরেনি হিন্দুদের বাড়িঘরসহ মন্দির।
তবে বিএনপির উপজেলা নেতাকর্মীরা বলছেন দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে আওয়ামীলীগ ভাংচুর জালাও পোড়াও চালাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার দুমকি উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্যরা প্রধান গেটে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনের ইউনিফর্মধারী সদস্যরা ছাড়াও নেতাদের সহায়তা করতে দেখা গেছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দুমকি উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মাহাবুবুর রহমান জানান, সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রধান ফজলুল করিমের নির্দেশে সারা বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির পাহারা দেওয়া হচ্ছে। আমরা বাঙালি সবাই ভাই ভাই। দেশের এই মুহূর্তে কোনো মহল সংখ্যালঘুদের বাড়িতে কিংবা মন্দিরে যাতে হামলা করতে না পারে সেজন্য আমরা পাহারায় বসেছি। এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের সামনে আমাদের সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। কেন্দ্রীয়ভাবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আমরা এ দায়িত্ব পালন করে যাব
উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: খলিলুর রহমান বলেন, দেশে নৈরাজ্য বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করতে আওয়ামী লীগের লোকজন বিভিন্ন সরকারি স্থাপনাসহ হিন্দুদের ঘরবাড়ি ও মন্দিরে হামলা চালাচ্ছেন। আমরা বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো মিলে পাহারা দিচ্ছি। কাউকে ধরতে পারলে প্রশাসনের হাতে তুলে দেয়া হবে।