ষ্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে কাঁচা মরিচের দাম নেমেছে অর্ধেকে। গত কয়েকদিন আগেও ৪’শ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ২’শ টাকা দরে। ফলে ক্রেতাদের মধ্যে ফিরে এসেছে স্বস্তি।
জেলা শহরের কাঁচা বাজার ঘুরে জানাগেছে, গত শুক্রবার গোপালগঞ্জের পাইকারী বাজারে কাঁচ মরিচ ৩’শ টাকা দরে ও খুচরা বাজারে ৪’শ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। মাত্র ১ দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকে নেমেছে। আজ রবিবার বাজারে দেখা গেছে, পাইকারী বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর খুচরা বাজারে এ কাঁচা মরিচ ২’শ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
ক্রেতা সুশান্ত সাহা বলেন, আমাদের বেতনের উপর চলতে হয়। বাজারে নিত্যপণ্যের যে দাম তা দিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। তার উপর মরার উপর খাড়ার ঘা ছিল কাঁচা মরিচ। গত কয়েকদিন আগে কেজি প্রতি ৪’শ টাকা দরে কাঁচা মরিচি কিনেছি। তবে আজ বাজারে এসে দেখলাম কাঁচা মরিচ কেজি প্রতি ২’শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের মত প্রতিটি পণ্যের তাম কমানো উচিত।
অপর ক্রেতা আকবর হোসেন বলেন, ৪’শ টাকার কাঁচা মরিচ এখন ২’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম কমেছে অর্ধেক। এতে সাধারন ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শহরের আড়তদার ও কাজী ভান্ডারের মালিক জাহিদ কাজী বলেন, বাজারে আজ রোববার প্রচুর কাঁচা মরিচের আমদানী হয়েছে। এছাড়া মোকামে কাঁচা মরিচের দাম কমেছে। এজন্য গোপালগঞ্জের আড়তগুলোতে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত শুক্রবার এ মরিচ ৩’শ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। গতকাল শনিবার কাঁচা মরিচ আমরা ২১০ থেকে ২২০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। মাত্র ১ দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেকে নেমেছে।
গোপালগঞ্জ শহরের কাঁচা বাজারের খুচরা কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী আব্দুল আলীম বলেন, আজ রোববার প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা করে কিনে ২’শ টাকা দরে বিক্রি করছি। শনিবার প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ ৩’শ টাকা দরে বিক্রি করেছি। শুক্রবার এ মরিচ বিক্রি করেছি ৪’শ টাকা দরে। মাত্র ১ দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম অর্ধেক কমেছে। আড়ত থেকে কম দামে কিনতে পারলে আমরা কমদামে মরিচ বিক্রি করতে পারি। #