সোহাগ হাওলাদার,বরগুনাঃ
এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বরগুনার
গৌরীচন্না নওয়াব সলিমুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩ দিনব্যপী তারুণ্যের মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যুব ও ক্রিড়া মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে।
বরগুনার গৌরীচন্না নওয়াব সলিমুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মঙ্গলবার
(২১জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে তিন দিনব্যাপী বরগুনার ঐতিহ্যবাহী পিঠা, দেশীয় খেলাধুলা, বিজ্ঞান বিষয়ক প্রজেক্ট, আইসিটি / রোবটিক্স, পলিথিন/ প্লাস্টিকের বিকল্প উদ্ভাবন, হস্ত শিল্প ও মৃৎ শিল্পসহ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা
উদ্বোধন করা হয়।
এসয়ম মেলা উদ্বোধন করেন বরগুনার গৌরীচন্না নওয়াব সলিমুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ নাজমুল ফারুক।
বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্য ধরে রাখতে আয়োজন করা হয়েছে তিন
দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী পিঠা, দেশীয় খেলাধুলা, বিজ্ঞান বিষয়ক প্রজেক্ট, আইসিটি / রোবটিক্স, পলিথিন/ প্লাস্টিকের বিকল্প উদ্ভাবন, হস্ত শিল্প মৃৎ শিল্প ও ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা।
আর এ উৎসব উপভোগ করতে মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় জমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকরা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মেলায় স্থান পেয়েছে জিরা পিঠা, ভাপা, নকশি, চিতই, পাঠিসাপটা, জামাই বরণ পিঠা, ডাল ও তালের পিঠাসহ অর্ধশতাধিক পিঠার সমারাহ।
দেশীয় খেলাধুলা রয়েছে হাডুডু খেলা, বউচি খেলা, গোস্ত চুরি খেলা সহ ঐতিহ্য বাংলার কয়েক রকমের খেলাধুলা।
এছাড়া ও রয়েছে ঐতিহ্যবাহী পিঠা, দেশীয় খেলাধুলা, বিজ্ঞান বিষয়ক প্রজেক্ট, আইসিটি / রোবটিক্স, পলিথিন/ প্লাস্টিকের বিকল্প উদ্ভাবন, হস্ত শিল্প ও মৃৎ শিল্প, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলাসহ রয়েছে নানারকমের আয়োজন।
এ মেলায় নতুন প্রজন্মের সঙ্গে
বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি, ঐতিহ্যবাহী পিঠা, দেশীয় খেলাধুলার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এমন আয়োজন বলে জানান আয়োজকরা।
পাশাপাশি তারুণ্যের যে উৎসব। সেই উৎসব যেন সারাবছর জুড়ে থাকে সেটাই প্রত্যাশা করেন তারা।
গৌরীচন্না নওয়াব সলিমুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নাজমুল ফারুক বলেন তারুণ্যর মেলায় বৈজ্ঞানিক নানা প্রযুক্তি সহ দেশীয় খেলাধুলার পাশাপাশি, মেলায় স্থান পেয়েছে জিরা পিঠা, ভাপা, নকশি, চিতই, পাঠিসাপটা, জামাই বরণ পিঠা, ডাল ও তালের পিঠাসহ অর্থশতাধিক পিঠার সমারাহ। আর এই উৎসবে ভিড় জমান প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ, অভিভাবকরাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনেকেই মেতেছিল উৎসবে। কেউ কিনছেন কেউ খাচ্ছেন আবার কেউবা নিয়ে যাচ্ছেন।
নানারকমের বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিসহ পিঠা পুলির এ আয়োজনটি তরুণ প্রজন্মকে আকর্ষণ করে। পাশপাশি বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরি করে স্টলে বিক্রি করার মাঝেই আনন্দ তাদের। এতে তরুণরা বিভিন্ন পিঠার সাথে পরিচয় হতে পেরে খুশি তারা।