এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি :
প্রতিনিধি। বানারীপাড়ায় ইট ভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন অমান্য করে ভাটাগুলোতে উজাড় করচ্ছে ভূমি, ফসলি জমি ও সন্ধ্যা নদীর তীরে জেগে ওঠা চরের মাটি। ভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা নিজেদের খেয়াল খুশি মতো সংরক্ষিত আবাসিক জনবসতি, বানিজ্যিক এলাকা, বনভূমি, জলা ভূমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে ও কৃষি জমিতে ইটভাটা, পাজা ইট ভাটা ও ক্লিন ভাটা স্থাপন করে ব্যবসা করছেন। এ উপজেলায় ২৫টি লাইসেন্স বিহীন অবৈধ ইট ভাটা, পাজা ইট ভাটা ও ক্লিন ভাটা রয়েছে।
জানা গেছে, এর মধ্যে মাত্র দুটি ইটভাটার লাইসেন্স রয়েছে। ভাটায় কাঠ পুড়িয়ে ইট তৈরির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কয়লার পরিবর্তে বানারীপাড়ার সিংহভাগ ভাটায় পোড়ান হচ্ছে মূল্যবান বনজ, ফলদ ও ঔষধি গাছ। ফলে উজাড় হয়ে যাচ্ছে এলাকার বনভূমি। হাজার হাজার বৃক্ষ গ্রাস করে ফেলছে ভাটাগুলো। এ উপজেলায় খেজুর গাছ ও এর সুস্বাদু ‘রস’ এখন গল্পে পরিণত হয়েছে। এলাকার প্রায় সব খেজুর গাছ ভাটায় পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্যহীণতা দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভাটা মালিক জানান, সংশ্লিষ্ট সবাইকে ম্যানেজ করেই তারা ভাটা পরিচালনা করে থাকেন। অবৈধ ইটভাটার বিষয়ে জিরো টলারেন্স অবস্থানের কথা জানিয়ে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বায়েজিদুর রহমান বলেন, শিগগিরই এসব ভাটার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান (ভ্রাম্যমান আদালত) পরিচালনা করা হবে। এদিকে এলাকার সচেতন মহল পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কাছে ইট প্রস্তুত আইনের সঠিক প্রয়োগ কামনা করছেন।#