স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাশরুম এক ধরনের ছত্রাক। যদিও গ্রামাঞ্চলে কেউ কেউ ব্যাঙের ছাতা মনে করেন। আসলে তা কিন্তু নয়। বনে-জঙ্গলে জন্মানো ছত্রাক অবশ্যই খাওয়ার অযোগ্য। তবে চাষকৃত মাশরুম হালাল সবজি। রয়েছে পুষ্টি আর ভেষজগুণে ভরপুর। তাই ইনডোরে চাষকৃত এই ফসল আমাদের খাদ্যাভাসে অর্ন্তভুক্ত করা দরকার। যদি এর চাহিদা বাড়নো যায় তাহলে যোগানও বৃদ্ধি পাবে। তবে বরিশালে দিনে দিনে মাশরুমের চাহিদা বৃদ্ধি পেযেছে। শনিবার বরিশাল নগরীর মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের হলরুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উদ্যোগে মাশরুম চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক কর্মশালা বক্তারা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্ম নজরুল ইসলাম শিকদার। ডিএই ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএইর পরিকল্পনা প্রকল্প, বাস্তবায়ন ও আইসিটি উইংয়ের উপপরিচালক (প্রকল্প বাস্তবায়ন) ড. শাখাওয়াত হোসেন শরীফ, মাশরুম চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন ও দারিদ্র্যহ্রাসকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. আখতার জাহান কাঁকন এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বব্যিালয়ের প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমান। বক্তব্য রাখেন ডিএই পটুয়াখালীর উপ-পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কবীর হোসেন পাটোয়ারী, ডিএই বরিশালের জেলা প্রশিক্ষণ আফিসার মোসাম্মৎ মরিয়ম, বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক মো. অলিউল আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ আফিসার ডা. সুশান্ত দাস, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক মেহেরুন নাহার মুন্নি, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হাসান, জেলা নিরাপ খাদ্য কর্মকর্তা মো. গোলাম রব্বানী, ঝালকাঠি সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার আলী আহম্ম, ভোলা সরের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. কামরুল হাসান, বরিশালের জেলা সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এস এম মাহবুব আলম, পটুয়াখালী সদরের কৃষি উদ্যোক্তা জাহাংগীর হোসেন মানিক প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা, কৃষি উ্েযাক্তা এবং কৃষক মিলে ড়ে শতাধিক অংশগ্রণকারী উপস্থিত ছিলেন।