• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বানারীপাড়ায় হুক্কা পড়ে না এখন চোখে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৫, ১৩:২৯ অপরাহ্ণ
বানারীপাড়ায় হুক্কা পড়ে না এখন চোখে

এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া(বরিশাল) প্রতিনিধি ।।

বানারীপাড়ায় হুক্কা এখন বিলুপ্তির পথে। অথচ এক সময় এ হুক্কা এ ছিলো বাংলার সামাজিক অবস্থানের একটি অংশ। হুক্কা ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ তার সামাজিক অবস্থানকে চিহ্নিত করতে পারতো। তার আভিজাত্যের পরিচয় বহন ও করতো।

গ্রাম বাংলার কিছু স্থানে এখনো বৃদ্ধরা নামিদামি সিগারেট, বিড়ি জাতীয় দ্রব্য ব্যাবহার না করে হক্কার সুখ টানেই আমেজ কাটাচ্ছেন। হক্কা নারিকেলের খোল দিয়ে তৈরি করা হয়।

অনেক প্রভাবশালী খান্দানীদের পিতলের বাহারী হুক্কা ব্যবহার করতো। পোড়া মাটি দিয়ে তৈরি হয় হকার ছিলিম। এ ছিলিমে তামাক ও আগুন মিলে তৈরি হয় এক প্রকার নেশা জাতীয় দ্রব্য। নারিকেল বা পিতলের খোলে পানি দিয়ে হুক্কায় লাগানো পাইপটি মুখে লাগিয়ে টানলে গড় গড় শব্দ হয়। আর হকার ধোঁয়া নেশায় পরিনত হয়।

এরা স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন-যাপন করলেও গ্রাম বাংলার বৃদ্ধরা এ ঐতিহ্য হুক্কা এখনও ছাড়েননি। অতীতে মেটাতেন রাজা-বাদশা ও ঋষি-মুনিরা হুক্কার নেশার আমেজ বর্তমানে বানারীপাড়ার হুক্কা বিক্রির দোকান নেই। শহর থেকে হুক্কা বিলুপ্ত হয়েছে। গ্রামাঞ্চলের হাটবাজারে এখনো দু’একটা দোকানে কদাচিত চোখে পরে। তবে, আগের মতো বাহারী হুক্কা আর বিভিন্ন নকশার হক্কা এখন আর দেখা যায় না। তেমন চোখেও পড়েনা।।#