এস মিজানুল ইসলাম, বানারীপাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা: বানারীপাড়া ও স্বরুপকাঠিতে চলছে মাদকের রমরমা ব্যবসা।রয়েছে মাদক সিন্ডিকেট। বানারীপাড়ার একই নামের ব্যবসায়ী কালু, কালাচাঁদ পাল বা কেসি পালের। কালু যিনি বানারীপাড়ায় তিন নামে পরিচিত তার পিতার নাম মানিক পাল। তার বাড়ি বানারীপাড়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড। খবর নিয়ে জানা যায় সে অনেক পুরোনো মাদকসেবী। ভাল অর্থের মালিক হওয়ায় তিনি সব সময় থাকতেন প্রশাসনের লোকচক্ষুর আড়ালে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বন্দর বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, কালু পাল তার মামার দোকানের একজন সাধারণ কর্মচারী। মামার দোকানে থাকাকালীন তিনি ফেন্সিডিলেরও ব্যবসা করেছেন। পরবর্তিতে তার মামা ভারতে চলে যান এবং তার কয়েক বছর পূর্বে তাদের আলাদা দোকান দিয়ে ব্যবসায় বসিয়ে দেয়। তিনি এখন প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার মালিক। তার পুরনো মাদক ব্যবসা এখনো নির্বিঘ্নে চালাচ্ছেন।
সম্প্রতি স্বরুপকাঠী উপজেলায় গ্রেফতার হওয়া তিন মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা সহ গ্রেফতার কালুর নাম সামনে আসে।জানাযায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্বরুপকাঠী থানার এসআই রায়হান আহম্মেদ সোহেল, এএসআই মনির খানের নেতৃত্বে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে স্বরূপকাঠী বাজার অটো ষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার হয়। এসময় ১৫ পিচ ইয়াবাসহ স্বরূপকাঠী পৌর শহরের জগন্নাথকাঠী গ্রামের মৃত আলী আকব্বর এর ছেলে মোঃ মেহেদী হাসান ফুয়াদ (৪০) ও দক্ষিন জগন্নাথকাঠী গ্রামের মোঃ শাহ আলমের ছেলে মোঃ ইয়াছিন(২১) এবং বানারীপাড়া পৌর শহরের ৩নং ওয়ার্ডের মৃত আঃ হাই এর ছেলে মোঃ লিমন (৩৪) কে গ্রেফতার করে।এ সময় বানারীপাড়ার লিমনের তথ্য অনুযায়ী ওই মাদক কালুর বলে স্বীকার করেন। লিমন জানায়, ওই ইয়াবা ট্যাবলেট তার নয়। সে নিজেকে নির্দোশ বলেন এবং মাদক ব্যবসায় জড়িত নয়। তাকে একজন বড়ভাই মাদক নিতে পাঠিয়েছেন। কালু মাদক ব্যবসায়ী ফুয়াদের কাছে টাকা পাঠিয়েছেন।
এ বিষয়ে কালুর সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার এই ০১৭১৬-৮৮৩৫৫৭ নাম্বারে ফোন দিলে তার ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। মেহেদী হাসান ফুয়াদ একজন প্রফেশনাল মাদক ব্যবসায়ী এর নামে স্বরুপকাঠী থানায় একাধিক মাদক মামলা হয়েছে।
এদিকে বানারীপাড়া সচেতন মহল কেসি পাল ওরফে কালাচাঁদ পাল বা কালুর কঠিন শাস্তি দাবী করেছেন। তার জন্য বানারীপাড়া ছাত্র ও যুব সমাজ মাদকে আসক্ত হয়ে পরছে।#