• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরগুনার তালতলীতে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে প্রকাশ্যে গাছ কাটার ৪০ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি বন বিভাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ১০, ২০২৫, ১৪:২৭ অপরাহ্ণ
বরগুনার তালতলীতে সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে প্রকাশ্যে গাছ কাটার ৪০ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি বন বিভাগ

মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
বরগুনার তালতলী উপজেলা টেংরাগিরি সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে প্রকাশ্যে গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে নলবুনিয়া বিটে ওয়াচার হিসেবে কর্মরত জাহাঙ্গীর মিয়া বিরুদ্ধে। কিন্তু গাছ কাটার ৪০ দিন পার হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বন বিভাগ।

স্থানীয়দের দাবি, জাহাঙ্গীর মিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে বন থেকে গাছ পাচার করছেন একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই চক্রের সাথে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়িত। এজন্য তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বন বিভাগ।

জানা যায়, টেংরাগিরি বনাঞ্চলটি সুন্দরবনের পর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসম‚লীয় বনাঞ্চল। বনটি বরগুনার তালতলী থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত বিস্তৃত। এই বনাঞ্চলের আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৪ একর। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শ্বাসমূলীয় বন স্থানীয়ভাবে ফাতরার বন নামে পরিচিত।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নলবুনিয়া বিটের আওতায়ধীন শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে তীরে ১৫-২০ টি গাছ কাটা অবস্থায় দেখা যায়। যার আনুমানিক মুল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা। গত ২৮ জানুয়ারী পাচারের উদ্দ্যেশে বন থেকে প্রকাশ্যে গাছগুলো কাটেন জাহাঙ্গীর মিয়া। গাছ কাটার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসলে তিনি বিষয়টি দামাচাপা দেওয়ার জন্য বনের জমি নিজের বলে দাবি করেন। এবিষয়ে স্থানীয়রা বনবিভাগ অবগত করলেও তারা কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

নলবুনিয়া বিট কর্মকর্তা মো. শাওন বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে সালমা বলেন, এ বিষয়ে বন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে তদন্ত পূর্বক আইন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।###তাং১০-০৩-২০২৫ইং