স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী বলেছেন, নতুন বাংলাদেশে আমরা সবাই বাংলাদেশী, কোন সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু থাকবে না। রাজনীতিকে আধুনিকায়ন করতে হবে, প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। মানুষের ক্ষতি হয় এমন কাজ বর্জন করতে হবে। লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে বহু মানুষ গুম-খুনের শিকার হয়েছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে প্রায় ২ হাজার ছাত্র জনতা নিহত হয়েছে।
আজ শনিবার বিকালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় বেগম জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আরো বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। আপনারা কোটালীপাড়াবাসিও ভোট দিতে পারেননি। বারবার এখান থেকে যিনি (শেখ হাসিনা) নির্বাচিত হয়েছেন তিনি হালাল ভোটে নির্বাচিত হননি। এ রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, আমার সংবিধান আমাকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, কিন্তু বিগত ১৭ বছর ধরে মত প্রকাশের স্বাধীনতা ছিল না। ২০১৮ সালে আমি এই আসন থেকে নির্বাচন করেছিলাম। জেলে থাকার কারণে আমি গণসংযোগ করে নির্বাচন করতে পারিনি। আওয়ামী লীগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একজনকে চেয়ারম্যান পদে দিয়ে কাউকে আর নির্বাচন করার সুযোগ দেয়নি।
তিনি আরো বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে এক কাপড়ে বের করে দিয়েছিলেন, কিন্তু দেশের জনগণ তাকে (খে হাসিনাকে) দেশ থেকে বিতাড়িত করছে। আল্লাহ সর্বশক্তিমান তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন সম্মান নিয়ে খেলা করলে তার নির্মম পরিনিতি ভোগ করা লাগে।
এস এম জিলানী আরো বলেন, রাজনীতিকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন করতে হবে তাহলেই তারেক রহমান নেতৃত্বে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। আপনারা যারা বিএনপি রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন চাঁদাবাজি, দলবাজিসহ সকল অপকর্ম থেকে দুরে থাকতে হবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে পারলে আমি বিশ্বাস করি, আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি বৈসম্যহীন বাংলাদেশ, দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ, সন্ত্রাস চাঁদাবাজ ও দখলমুক্ত বাংলাদেশ।
কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এস এম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে জেলা বিএনপির আহবায়ক শরীফ রাফিকুজ্জামান, যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড, আবুল খায়েরসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। #