স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর বলেছেন, আমরা সুন্দর একটি মন তৈরি করতে পারছি না। আমরা পরিবার ও সমাজ থেকে পাচ্ছি না, আমাদের দেশ পাচ্ছে না। আমাদের শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা আমাদের বইগুলোও পাচ্ছে না। শিক্ষার সাথে সাহিত্যের কোন বিরোধ হবার কথা ছিলো না। কিন্তু এই বিরোধ নিয়ে শিক্ষা আর সাহিত্য চমৎকারভাবে চলছে।
গোপালগঞ্জ পৌরসভার হলরুমে অনুষ্ঠিত ১৯ জন কৃতি কবি ও সাহিত্যককে “কাশবন সাহিত্য পত্রিকা পুরষ্কার-২০২৪” প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর আরো বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমের কারিকুলামের সাথে যুক্ত ছিলাম। সারা দেশের অভিভাবকেরা এটাকে তিরস্কার করেছে, মন্দ বলেছে। কিন্তু তারা কারিকুলামটা দেখেনি, যেটা আড়ালে থাকে। সেই শিক্ষাক্রমে আমরা চেয়েছিলোম শিক্ষা ও সাহিত্যের মধ্যে বিরোধ কমাতে। পাঠ্যপুস্তকে এমন কিছু বিষয় রেখেছিলাম যেতে শিক্ষার্থীরা সাহিত্য চর্চা করবে, সাহিত্য চর্চার মধ্য দিয়ে তাদের অনুভূতি তৈরি হবে।
কাশবন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক কবি মিন্টু হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকা ফিটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবি লেখক ও সম্পাদক ড. গোলাম মোস্তফা, রাজধানীর বীরশ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ কলেজের অধ্যাপক কবি আকমল হোসেন খোকন, কাশিয়ানী জয়নগর ইয়ার আলী খান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ প্রণব কুমার রায়, এস.এম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক সুমাইয়া খানম, কাশিয়ানী পিঙ্গুলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক কবি সুলতানুল আলম খান বক্তব্য রাখেন।
পরে বাংলা কবিতা, গবেষণা ও সাহিত্যিক রচনা, কথাসাহিত্য, ভ্রমনসাহিত্য, নারী শিক্ষা, নারী প্রগতি ও সমাজ শৃঙ্খলা, প্রকাশনা, পত্রিকার সম্পাদনা ও সাহিত্য রচনা, মানবিক সাংগঠনিক দক্ষতা, পঞ্চকবির গান, বিশুদ্ধ সংগীত চর্চা, শিক্ষা ও গবেষণায় অবদান রাখায় ১৯জন গুণী ব্যক্তিকে উত্তরীয় পরিয়ে পুরস্কার তুলে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তারিক মনজুর।
এসময় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবরিনা বিনতে আহমেদের লেখা বাংলার অগ্নিকন্যারা নামের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মেচন করা হয়। পরে ঘুঙুর নৃত্যালয়সহ সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিশু শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করে। #