বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও তার একাধিক সহযোগীর বিরুদ্ধে কলেজ ছাত্রীকে যৌণ হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগি ছাত্রীর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে স্বামীর বাড়ি নলচিড়া ইউনিয়নের খানা বাড়ী গ্রামে আসেন ডিগ্রী পরিক্ষার্থী ভুক্তভোগি ওই ছাত্রী। গত ২১ এপ্রিল পরীক্ষা দিতে উপজেলার নিজামুদ্দিন কলেজে যাওয়ারর পথে স্বপন হাওলাদার তার সহকারীদের নিয়ে পথরোধ করে টিটকারি মুলক কথাবার্তা ও ইশারা ইঙ্গিতে যৌণ হয়রানি করে। প্রথমদিকে আমি বিষয়টি এড়িয়ে যাই। পরবর্তীতে আমাকে বাজে ধরণের কথাবার্তা বলে। গত ২৮ এপ্রিল সকাল সাড়ে নয়টার দিকে আমি আমার ছেলে ও ভাবিকে সঙ্গে নিয়ে নলচিরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভাতিজি আলিফকে পৌঁছে দিতে যাই। ভাতিজীকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যালয় সংলগ্ন পাকা রাস্তায় স্বপন হাওলাদার ও তার দুই তিনজন সহযোগী আমার পথরোধ করে। একপর্যায়ে আমার ভাবি ও সন্তানকে নিয়ে দ্রæত হাটা শুরু করি। এ সময় স্বপন হাওলাদার আমার হাত ধরিয় টানাটানি শুরু করে ও স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়। ভাবি ডাক চিৎকার শিক্ষা শুরু করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগি ছাত্রী অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা স্বপন হাওলাদার অনেক আগে থেকেই আমাকে উত্যক্ত করে আসছিলো। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বপন ও তার দুই সহযোগী জুয়েল সরদার ও কাইয়ুম খানকে আসামী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও রহস্যজনক কারনে এখনো মামলা নেয়নি ওসি। তবে বিএনপি নেতা স্বপন হাওলাদার ও তার সহযোগীরা ওই কলেজ ছাত্রীর আনিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তারা ষড়যন্ত্রের শিকার। গৌরনদীর মডেল মডেল থানার ওসি মো. ইউনুস মিয়া বলেন, অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।