বালাগঞ্জ প্রতিনিধি’:: বালাগঞ্জ উপজেলার ৩নং বালাগঞ্জ সদর ইউনিয়নের হোসেন পুর গ্রামে পূর্ববিরোধের জেরে এক যুবক কে কুপিয়ে ও পিঠিয়ে আহত করেছে। আহতের নাম রয়েল আহমেদ তিনি উপজেলার ৩নং হোসেন পুর গ্রামের শামীম আহমেদ ছেলে ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,কালীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী হোসেন মিয়া,জানান, গ্রামের বাজারে দু”পক্ষের মারামারির খবর শুনতে পেয়ে তিনি নিজ দোকান থেকে ঘটনাস্থলে গেলে গ্রামের প্রতিপক্ষ রয়েল আহমেদ আরব আলীর গংরা তার গতিরোধ করে প্রথমে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এর প্রতিবাদ করায় হামলাকারীরা রয়েল আহমেদ কে দেশীয় ও দাড়াঁলো অস্ত্র দা, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ পিছন দিক থেকে এলোপাতারি আক্রমন ও মারধর শুরু করে। আঘাত করে রক্তাক্ত করে এবং পরে তাকে বেদড়ক পিঠিয়ে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকার শোনে স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে বালাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ এপ্রিল রোজ সোমবার রাত আনুমানিক নয় ঘটিকার সময় ।
এ ঘটনায় আহত রয়েল আহমেদ এর চাচা শাহিন মিয়া বাদি হয়ে ঘটনার দিন বিকেলে হোসেন পুর গ্রামের হামলাকারী মৃত হাজী আফাজ উদ্দিন’র ছেলে আরব আলী,,পিতা:মৃত ছালিক মিয়ার ছেলে নাঈম মিয়া,মামুন মিয়া(২৭) বিশাল(২২), পিতা বাহার উদ্দিনের ছেলে বিপ্লব মিয়া, পিতা আব্দুল হক’ র ছেলে সজীব মিয়া গং সহ বিবাদি করে বালাগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বালাগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে হোসেনপুর গ্রামে সোমবার (২৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে বালাগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নে কালীগঞ্জ বাজারের পাশে। জানা গেছে গত কয়েক দিন আগে আরব আলীর রাইস মেইলে যাওয়ার পর ধান ভাঙ্গানি কেস কেন্দ্র করে আরব আলীর (৪৫) সাথে আহত রয়েলের কথাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক হয়। তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে আহত রয়েল আহমেদ (৩০) এবং আরব আলী’র (৪৫) মধ্যে ধাক্কাধাক্কির সৃষ্টি হয়। উক্ত সময় আশেপাশে থাকা লোকজন এগিয়ে এসে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিবারন করেন। পরবর্তীতে ইং ২৮শে এপ্রিল রাত অনুমান নয় ঘটিকার সময় আহত রয়েল আহমেদ (৩০) এবং আরব আলী’র (৪৫) মধ্যকার ঘটানার বিষয়ে স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এক বিচার শালিসের আয়োজন করে এবং উক্ত বিষয়ের সমাধান করা হয়। বিষয়টির সমাধান হলেও আরব আলী ও তার ভাই উমর আলী (৫০) এবং তাহার আত্মীয় স্বজনদের মনে আক্রোশ থেকে যায়। ঐদিন অর্থাৎ ২৮শে এপ্রিল রাত অনুমান নয় ঘটিকার সময় আহত রয়েল, বিচার শালিস শেষে বাড়িতে আসার পথে হোসেনপুর গ্রামের আরব আলীর বসত বাড়ির পাশে ইট সোলিং রাস্তার উপর পৌঁছা মাত্রই পূর্বের আক্রোশে আরব আলী (৪৫) এবং তার ভাই উমর আলী (৫০) হুকুমে তাদের আত্মীয় সন্ত্রাশী (ভাগনা) সকল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ পিছন দিক থেকে এলোপাতারি আক্রমন ও মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম হলে এবং প্রচুর রক্তপাত ঘটলে উক্ত সময়ে আহত রয়েলের শোর চিৎকার শুনে আশপাশ হতে অন্যান্য লোকজন এগিয়ে আসে এবং আহতকে সন্ত্রীদের কবল হইতে রক্ষা করেন। তখন সন্ত্রাসীরা পলানোর সময় উপস্থিত লোকজনের সম্মুখে আহত রয়েলকে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে যে, উক্ত বিষয় নিয়ে আহত রয়েল কিংবা তার পরিবারের কেহ থানা বা কোর্টে মামলা মোকদ্দমা করলে সন্ত্রাসীরা আহত রয়েলকে প্রাণে হত্যা করবে বলে জানায়। আহত রয়েল আহমদ (৩০)।কে রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।
(২ এপ্রিল)সকালে বালাগঞ্জ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল আলম পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ ব্যাপারে মামলার বাদি আহত রয়েল আহমেদের চাচা,শাহিন মিয়া বলেন,হামলাকারীরা একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী পরিচয়ে এলাকায় আমিসহ নিরীহ মানুষদের উপর অত্যাচার নির্যাতন করে আসছে। তিনি হামলাকারীদের কঠোর শাস্তি প্রদানের জন্য পুলিশ বাহিনীর সহযোগিতা চান।
এ ব্যাপারে বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দিন ভূইয়া জানান একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ##