• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ন্যায্য বিচার দাবি , নাকি শুধু প্রশাসনের সমালোচনা?

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ১৭, ২০২৫, ১৫:৫৮ অপরাহ্ণ

সম্প্রতি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের প্রভাষক এবং সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালক হাসান মাহমুদ সাকিকে লাঞ্ছনার অভিযোগে বাংলা ১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মাদ মোবারক হোসেন নোমান কে গ্রেফতার করা হয়। ঘটনাটি ঘটে( ২মে) শুক্রবার রাতে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে নোমানের বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা করা হয়, এর মধ্যে একটি হতাচেষ্টা মামলাও থাকে যেটি পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধে তুলে নেওয়া হয়। প্রশাসন মূলত শিক্ষার্থীদের দাবির মুখেই এবং তদন্ত করে মামলা গুলো দায়ের করে। কিছু কুচক্রী মহল এই ঘটনাটাকে বিকৃত করার জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের লেখালেখি শুরু করে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য যে তারা দাবি করে নোমানকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।আর প্রশাসন দাবি করে এটা পূর্ব পরিকল্পিত হামলা, না হলে নেহাত কেউ আম পাড়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষকের গায়ে হাত তুলতে পারেনা, তারা আরো দাবি করে যেহেতু ১৮ ব্যাচ ক্যাম্পাস থেকে গত হয়েছে অনেক আগেই সেহেতু সে এখানে উদ্দেশ্য নিয়ে আসছে, আম পাড়ার ঘটনা ঘটে ক্যাম্পাসে অবস্হানরত বর্তমান ২১, ২২নব্যাচের কিছু শিক্ষার্থীদের সাথে। সেখানে একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী যে কিনা ১৮ ব্যাচ এ বিলং করে সে কোন উদ্দেশ্যে এখানে উপস্থিত হবে? এবং প্রশাসন তাদের প্রমাণস্বরূপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা পোস্ট এর কিছু কমেন্ট সংগ্রহ করে, তাদের মধ্যে দুইটা ব্যক্তির কথোপকথনে আর তাদের অজান্তেই প্রকাশ করে ফেলে, যে ঘটনাটি আসলে পূর্ব পরিকল্পিতই ছিল তারা হলেন মোহাম্মদ বদরুল আলম এবং শেখ সিফাত ইসলাম। আর এই ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে কিছু কুচক্রী মহল ভুক্তভোগীর নিয়োগ ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। যা তার ব্যক্তিগত মূল্যবোধকে ক্ষুন্ন করে। শিক্ষার্থী এবং প্রশাসন দাবি করেছে তারা ন্যায্য বিচার চায় ।তবে যারা পূর্ণাঙ্গ সত্য না জেনে মিথ্যা রটাচ্ছে তাদের সংযত থাকার আহ্বান করেছেন।ঘটনাকে অতিরঞ্জিত না করার অনিরোধ করেছে।