তারিখঃ ২৬ মে, ২০২৫ খ্রিঃ
আগৈলঝাড়া(বরিশাল) :
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে হেনাস্তা করতে স্ত্রীকে মেয়ে বানিয়ে নিউজ প্রকাশ করেছে এক প্রতারক সাংবাদিক।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিন সাংবাদিকদের জানান, উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের নিখিল মধু’র স্ত্রী অঞ্জু রানী মধুকে মেয়ে বানিয়ে ২৫ মে, রবিবার দৈনিত আলোকিত বরিশাল পত্রিকায় প্রথম পাতায় “পিতার জন্মের আড়াই বছর পর মেয়েরে জন্ম” শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশ করে। মুলত নিউজে যে দুই জনের জন্ম নিবন্ধেনের কার্ড ব্যাবহার করা হয়েছে তারা আসলে স্বামী স্ত্রী। নিখিল মধু ,পিতা নিরোধ মধু, মাতা লক্ষী রানী মধু, গ্রাম গোপালসেন, ডাকঘর পয়সার হাট, ইউনিয়ন বাগধা, উপজেলা আগৈলঝাড়া, জেলা বরিশাল তার জন্ম তারিখ ০৭/০৩/১৯৮২ ইং। জন্ম নিবন্ধন নম্বর- ১৯৮২০৬১০২০৭০১১০৪৩ । স্ত্রী অঞ্জু রানী মধু, পিতার নাম নীল কান্ত বাড়ৈ, মাতা শ্রীমতি পূর্মিলা, জন্ম তারিখ ০২/০৩/১৯৮৫ইং। জন্ম নিবন্ধন নম্বর- ১৯৮৫০৬১০২০৭০১১০৪১। খোজ নিয়ে জানাগেছে নিখিল মধু ও অঞ্জু রানী মধু স্বামী স্ত্রী। কতিপয় এক সাংবাদিক বিভিন্ন সময় আমার অফিসে এসে বিভিন্ন বেআইনি কাজের কথা বলে। তাকে ওই কাজ করে না দেওয়ার পরবর্তীতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা নিউজ করে। পিতার আড়াই বছর পর মেয়ের জন্ম এমন কোন নিউজের জন্য আমার কাছ থেকে কেউ মোবাইল ফোনে বা সরাসরি আমার কোন বক্তব্য নেওয়া হয়নি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কার্যালয়ে তারিকুল ইসলাম হলুদ (অফিসের মালি) জানান, আমার সাথে কোন সাংবাদিকের এব্যাপারে কোন কথা হয়নি। আমাকে ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মানহানী করার জন্য এ নিউজ করা হয়েছে।
নিখিল মধু জানান, ২৫ মে, রবিবার দৈনিত আলোকিত বরিশাল পত্রিকায় প্রথম পাতায় “পিতার জন্মের আড়াই বছর পর মেয়েরে জন্ম” শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশ করে সম্পূর্ন মিথ্যা। অঞ্জু রানী মধূ আমার স্ত্রী। আমার স্ত্রীকে মেয়ে বানিয়ে যারা নিউজ করেছে প্রশাসনে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করি যাতে তারা আর সাংবাদিকতা করতে না পারে। তাদের আইনের আওয়াতায় এনে শাস্তির ব্যাবস্থা করা হয়।