স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সব সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিমকে উদ্দেশ্য করে অপর কেন্দ্রীয় বিএনপির সহআইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাভোকেট সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে হত্যা করার জন্য শেখ হাসিনার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনাবাহিনীর জিয়াউল হক ও মুকসুদপুরের কুলাঙ্গার সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম ষড়যন্ত্র করেছিলো।
আজ শুক্রবার (৩০ মে) বিকেলে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা দিগনগর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের আয়োজেন মুকসুদপুরে উপজেলার বরইতলা বাজারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, এই মনিরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জান সেলিমের কাছের বন্ধু। এরাই তারেক রহমানকে হত্যা করার জন্য সুব্রত বাইনকে ঠিক করেছিলো। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় তখন এই মনিরুল ইসলামের সাথে সেলিমুজ্জামান সেলিমের গলায় গলায় খাতের। বিএনপির নেতা কর্মীদের ধরে নিয়ে যায় সেলিমুজ্জামান সেলিম মধ্যস্থতা করে, খবর রাখে মনিরুল ইসলামের অফিস আর বিএনপি অফিস। এটাই ছিল সেলিমুজ্জামান সেলিমের কাজ। যেই মনিরুল ইসলাম তারেক রহমানকে হত্যা করার জন্য মিশনে নেমেছিল সুব্রত বাইনকে দিয়ে, তা কি সেলিমুজ্জামান সেলিম জানতো না।
সহআইন বিষয়ক সম্পাদক আরো বলেন, সেলিমুজ্জামান সেলিমকে আমরা জানতাম স্পাই হিসেবে। বিএনপি নেতৃবৃন্দের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, মনিরুল ইসলামের বন্ধু সেলিমুজ্জামান সেলিম, তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক, তার বিষয়ে খেয়াল রাইখেন। মনিরুলের সাথে তার গলায় গলায় খাতির, আর্থিক সম্পর্ক, সকল বিষয়ে পারিবারিক সম্পর্ক ছিল, এখন যে সম্পর্ক নেই এ কথা বলার সুযোগ নেই। সেজন্য সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।
সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ আরো বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের দলে কোন দূর্নীতি, চাঁদাবাজি চলে না। ইসলামে যেমন অপকর্ম চলে না, তেমনি বিএনপির রাজনীতিতে চাঁদাবাজি, ষড়যন্ত্র, মামলা দিয়ে টাকা আদায় এগুলো বিএনপির জন্য নয়। এগুলো যারা করে তারা বিএনপির আদর্শে নয়, পকেট ভারি করার জন্য করে।
গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আ: আজিজ মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় গোপালগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি সৈয়দ কামরুজ্জামান টুটুল, মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি হাবিব জান মিয়া, উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান মুরাদ, সাবেক সদস্য সচিব বদরুজ্জামান এজাজ, দিগনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম লিটু মোল্লাসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #