নিজস্ব প্রতিবেদক: বরিশালের গৌরনদীতে মালিকের কাছ থেকে ব্যবসা শিখে সেই মালিককেই মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে।
বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার গেরাকুল গ্রামের বাসিন্দা ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী মজিবর বেপারী অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘ বছর যাবত সুনামের সঙ্গে কাসেমাবাদ হেলিপ্যাড সংলগ্ন এলাকায় ভাঙ্গারি ব্যবসা চালিয়ে আসছি। আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে একই এলাকার মাইন উদ্দিন শরীফ নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন যাবত ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী করে আসছিলো। গত ৮ মাস পূর্বে মাইন উদ্দিন চাকুরী ছেড়ে দিয়ে কাসেমাবাদ বাজার সংলগ্ন এলাকায় নিজেই দোকান খুলে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সে (মাইনউদ্দিন) দোকান চালুর পর থেকে আমার পরিচিত সকল খুচরা ভাঙ্গারী বিক্রেতাকে বাগিয়ে নিয়ে আমার ব্যবসায়িক ক্ষতি করে। সর্বশেষ গত ৫ জুন পিঙ্গলাকাঠী এলাকার সুজন নামের এক ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সরকারি বই ক্রয় করেন মাইন উদ্দিন। ওই বই ভ্যানযোগে আমার দোকানের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় নাটকীয় ভাবে মাইন উদ্দিন তার ভাড়া করা লোক দিয়ে ভ্যানটি আমার দোকানের সামনেই আটক করায়। এরপর সংবাদকর্মী, পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে খবর দেওয়া হয়। পরে এঘটনায় ইসলামি ফাউন্ডেশনের সুপারভাইজার বাদী হয়ে পিঙ্গলকাঠী এলাকার ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী সুজন, ভ্যানচালক শফিকুল সহ কয়েকজনের নামে থানায় মামলা করেন। এঘটনায় আমি দায়ী না হওয়ায় আমাকে মামলায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়নি।
অভিযোগ করে ব্যবসায়ী মজিবর আরও বলেন, আমাকে মামলায় ফাঁসাতে না পেরে কতিপয় সংবাদ কর্মীদের ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে প্রচারনা চালানো শুরু করে আমার দোকানের এক সময়ের কর্মচারী মাইন উদ্দিন। তার ষড়যন্ত্রের কারনে আমি সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। তবে মজিবর বেপারীর এ অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যে ও ভিত্তিহীন বলে দাবী করেছেন আরেক ব্যবসায়ী মাইন উদ্দিন। গৌরনদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, তদন্তে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে তাদেরকে আসামী করা হয়েছে। এখনো তদন্ত চলছে। এঘটনায় অন্য কেউ অভিযুক্ত থাকলে তাকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।