আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ আনসারী বিপ্লব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মুক্তা খাতুন চার মাস আগের একটি ধর্ষণ মামলার সহযোগী হিসেবে আসামি ছিল। তারপর থেকেই সে তার চাচাতো বোন রুমা খাতুনের স্বামীর বাড়িতে পলাতক ছিল। কয়েক দিন আগেই সে বাড়িতে আসে।
শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ঘরের আড়ার সঙ্গে মুক্তা খাতুনের ঝুলন্ত লাশ দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
চেয়ারম্যান দাবি করেন, মুক্তা খাতুনের মৃত্যুর খবর শুনে রুমা খাতুনও নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। তবে রুমা খাতুন কেন আত্মহত্যা করল তা জানা যায়নি।
দৌলতপুর থানার ওসি জহুরুল হক জানান, পুলিশ দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করা যাবে।