• ২২শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে মাদ্রাসার নামে ইমারত শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতির জমি দখল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত নভেম্বর ২৬, ২০২০, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
পটুয়াখালীতে মাদ্রাসার নামে ইমারত শ্রমিক ইউনিয়ন সভাপতির জমি দখল

পটুয়াখালী প্রতিনিধি\
দফায় দফায় হামলা,মামলা ও পুলিশি নির্যাতনে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে “নুর বালিকা নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার” সাইনবোর্ড টানিয়ে প্রতিপক্ষের জমি দখল করে নিয়েছে মোঃ হারুন অর-রশিদ হাওলাদার নামে এক ইমারত শ্রমিক নেতা। কতিপয় পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের আ¯করায় এই দখল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরপূর্বে বসতঘর ভাংচুরের মিথ্যা নাটক সাজিয়ে থানা পুলিশের সহায়তায় ভুক্তভোগী দম্পত্তি হারুন সিকদার ও তার স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিনকে জেলে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এমন ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, আইজিপিসহ উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। পটুয়াখালী-মির্জাগঞ্জ সড়কের ইটবাড়িয়ার দুর্গাপুরের কোষ্টগার্ড সংলগ্ন এলাকায় এমন ঘটনায় তীব্র আশংকা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।

পটুয়াখালী-মির্জাগঞ্জ সড়কের কোষ্টগার্ড ট্রেনিং সেন্টার সংলগ্ন মোঃ হারুন সিকদার তার নিজস্ব জমিতে টিনসেড তৈরী করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন। গত ২০ নভেম্বর প্রতিবেশি পটুয়াখালী ইমারত র্নিমান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হারুন হাওলাদারের ভাড়াটে বাহিনীরা হারুন সিকদারের প্রথম স্ত্রী নিলুফা বেগমকে ব্যাপক মারধোর করে ঘর থেকে বেড় করে লুটপাট চালায়। ভাংচুর ও লুটপাটের খবর পেয়ে হারুন সিকারের দ্বিতীয় স্ত্রী মোসাঃ নাজমা বেগম ৯৯৯ এ কল করে সহযোগীতা চাইলে সদর থানা পুলিশের এএসআই মনির ঘটনাস্থলে পৌছে উল্টো হারুন সিকদারের পরিবারের উপর ভাংচুরের দায় চাপিয়ে হারুন সিকদার ও তার প্রথম স্ত্রী নিলুফা বেগমকে টেনে হিচড়ে পুলিশ পিকাপে থানায় নিয়ে আসে। ওই রাতেই একটি মামলা রেকর্ড করে পরদিন তাদের জেলে পাঠনো হয়। ইমারত র্নিমান শ্রমিক নেতা হারুন হাওলাদারের সাজানো নাটকীয় ঘটনার দুইদিনের মাথায় উল্লেখিত জমিতে নুর বালিকা নুরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার একটি সাইনবোর্ড টানানো হয়।