নিজস্ব প্রতিবেদক
“আমার কথা শোনো’’ শ্লোগানে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা পর্যায়ের দায়িত্বরতদের সাথে শিশুদের সংলাপ সেশন অনুষ্ঠিত হয়। রোববার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হল রুমে অনুষ্ঠিত সংলাপের প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাধবী রায় বলেন,
বর্তমান সরকার শিশু বান্ধব সরকার। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের প্রতিনিধিত্ব করবে। তাই সরকারও তার প্রতি অধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। করোনাকালীন সময় এই শিশুদের রক্ষার জন্য পরীক্ষা বাদ দিয়ে এ্যাসাইনমেন্ট পদ্দতি চালু করেছে। শিশুরা স্কুলে না গেলেও তাদের ঘরে ঘরে পুষ্টি বিস্কুট বিতরণ করেছে। শিশু খাদ্য বিতরণ করেছে। সর্বশেষ বাল্য বিবাহ রোধে ও কিশোরীদের আয় বৃদ্ধির লক্ষে প্রশিক্ষত কিশোর-কিশোরীদের মাঝে সেইভ দ্যা চিলড্রেন ও সেইন্ট বাংলাদেশ গাছের চারা, বীজ, হাস-মুরগী ও মাছের পোনা বিতরণ করেছে।
সেইভ দ্যা চিলড্রেনের সহযোগিতায় ও সেইন্ট বাংলাদেশ এর আয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলসকাঠি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: ফয়সাল ওয়াহিদ মুন্না তালুকদার, গারুড়িয়ার চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার, ভরপাশা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান খান, রঙ্গশ্রী চেয়ারম্যান মো. বশির উদ্দিন, পাদ্রিশিবপুর চেয়ারম্যান জাহিদুল হাসান, নিয়মতির চেয়ারম্যান মো. রুহুল আমিন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আকমল হোসেন, শিশুদের জন্য কর্মসূচীর প্রযেক্ট কো-অর্ডিনেটর গোপাল চন্দ্র শীল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, সেইন্ট বাংলাদেশের কর্মকর্তারা ও সাংবাদিকরা।

মোঃ আকমল হোসেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার
শিশুরা আজকে এই ফোরামে যে বিসয় গুলো উপস্থাপন করলো তার প্রতিটিই এই মূহূর্তে খুবই গুরুত্বপূর্ন। তবে আশার কতা হলো এর অনেক গুলো বিষয়ই সরকার উদ্যোগ নিয়েছে এবং তা সমাধানের দোরগোড়ায়। বিদ্যালয়ের পরিবেশ পূনরায় ফিরিয়ে আনতে আমরা ব্যবস্থা নেব। আমি শিগ্রই সকল শিক্ষকদের সাথে মিটিং করে বিষয় গুলো নিশ্চিত করারা চেষ্টা করব। যে সব শিশুরা এখনো এসাইনমেন্ট জমা দেয়নি তাদের বিষয়েও আমরা কথা বলব। বিদ্যালয়ে শিশুদের ঝড়ে পরা রোধে সরকারের উদ্যোগ আছে সেটিকে আরো বেগবান করার জন্য উপজেলা শিক্ষা বিভাগ কাজ করবে।

সমস্যা-১: আশিক ইসলাম, রঙ্গশ্রী
করোনা কালীন সময়ে সরকার এবং আমাদের শিক্ষকরা বিভিন্ন ভাবে শিশুদের শিক্ষার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েছেন এর মধ্যে টিভি, রেডিও, অনলাইন ক্লাস সহ আরো অনেক ব্যবস্থা ছিল। কন্তু মাননীয় মডারেটর দুখের বিষয় হলো এই সকল ব্যবস্থার মধ্যে ৬৭% শিশুরা কোন না কোন বিকল্প ব্যবস্থায় শিক্ষা গ্রহন করেছে কিন্ত গ্রামের সাধারন শিক্ষার্থীদের মধে প্রায় ৩৩% শিশু এই ব্যবস্থার বাইরে ছিল যারা কোন ভাবেই স্বাভাবিক পড়াশুনা করতে পারেনি। কারন তাদের টিভি, মোবাইল বা ইন্টারনেট সুবিধা ছিলো না। এই শিশুরাই মনে করছে যে বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হলে তারা আগের চেয়ে অনেক খারাপ ফলাফল করবে।

সমস্যা-২: মারিয়া মারজান মিম, নিয়ামতি
করোনা পরিস্থিতিতে যে সব শিশুরা একটু বেশি গ্রামে বসবাস করে, যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয় তারা দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারনে বাড়িতে কোন পড়াশুনা করতে পারেনি। বাবা মা পরিবারের খাবার যোগান দিতেই হিমশিম খাচ্ছে ফলে এ সব পরিবারের শিশুরা মাছ ধরা, মাঠে কাজ করা, এমনকি বিভিন্ন দোকানে কাজ সহ ছোট ব্যবাসায় নিয়োজি হয়েছে, যার ফলে এসকল শিশুদের শিক্ষা থেকে ঝড়ে পরার সম্ভাবনা তৈরি হয়ে গেছে। এ সব শিশুদের মধ্যে প্রায় স্থান ভেদে ১২-১৫% শিশু নভেমন্বর মাস পর্যন্ত সরকার নির্ধারিত এসাইনমেন্ট প্রকৃয়ায় যুক্ত হয়নি। এই শিশুরা যাতে বিদ্যালয় থেকে ঝড়ে না পরে এবং পূনরায় বিদ্যালয়ে ফিরে আসতে পারে সে ব্যাপারে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং শিক্ষকদের পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

সমস্যা-৩: রবিউল শেখ, কলশকাঠি
আমাদের বিদ্যালয় গুলো প্রায় ৯ মাস ধরে বন্ধ আছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের আনাগোনা না থাকায় বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত অবস্থা এবং আসবাবপত্র আস্তে আস্তে ব্যবহার অনুপোযোগী হয়ে পরছে। আমরা ডখন বিদ্যালয়ের অবকাটামোগত বিষয় গুলো এসেসমেন্ট করেছি তখন আমরা খুবই চিন্তিত হয়েছি যে বিদ্যালয় চালু হয়ে আমরা বিদ্যালয় ব্যবহার উপযোগী পূর্বের অবস্থা ফিরে পাবো কিনা। ইতমধ্যে আমাদের বিদ্যালয় গুলোর প্লাস্টার, ছাদ, বেঞ্চ, টিউবয়েল, জানালা, দরজা, ফ্লোর নষ্ট হতে শুরু করেছে।

সমস্যা ৪: মনজিলা, গারুড়িয়া
“ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্ব্যময়, পূর্নিমার চাঁদ যেন ধলসানো রুটি”, মানণীয় মডারেটর করোনার এই মহামারীতে সারা পৃথিবীতে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে, বাংলাদেশ ও এর বিপরীত নয়। পরিবারে যেকোন ধরনের সংকট দেখা দিলেই তার প্রভাব সবার আগে পরে শিশুদের উপরে। খাদ্য সংকট তো আছেই সেই সাথে বাবামায়ের নির্যাতন ও এই সময় বেড়ে গিয়েছে বহু গুনে। টিভি খুললেই আমরা দেখতেপাই শিশুরা প্রতিনিয়ত নানা ভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। পরিবার ই নয় বিদ্যালয বন্ধ থাকায় শিশুরা বাড়ির আসেপাশে খেলাধুলা করতে গিয়ে নানা ধরনের যৌন নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে অনেক গুলো।

সমস্যা ৫: সানজিদা আক্তার ইমা, রঙ্গশ্রী
১৮ বছরের নিচে মেয়ে শিশুদের বিয়ে হয় এমন দেশের মধ্যে বাংলাদেশ পৃথীবির অন্যতম একটি দেশ সেই সাথে বাল্যবিয়ে বন্ধে সরকারের উদ্যোগেরও শেষ নেই। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই বাকেরগঞ্জ উপজেলার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্যারকে তিনি সর্বদাই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধের ব্যাপারে সচেষ্ট। আমরা জানি তিনি বাল্যবিবাহের খবর শুনলে কখনো কখনো নিজইে ছুটে যান তা বন্ধ করতে। কিন্তু দুখের বিষয় হল এই যে কথায় আছে “যুগ আইছে কলিতে, লোহা খায় উলিতে”। আমাদের ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে যাদের সামনে থেকে প্রতিরোধ করার কথা আমাদের সেই স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের অনেকেই নিজেরা দায়িত্ব নিয়ে বাল্যবিবাহ দেন।

সমস্যা ৬: ইসরাত জাহান স্বর্না, পাদ্রিশিবপুর
সম্প্রতি একটি জাতীয় পত্রিকার নিউজ সকলের নজর কেড়েছিলো, “ ৪র্থ বৌয়ের অথিযোগে নবম বউয়ের বাড়ি থেকে আটক ১৫ টি বিবাহ করা আবুল কালাম। আমাদের দেশে প্রতি দিন হাজারো নারী আর্থিক অনটন ও নির্যাতন শিকার হচ্ছে পুরুষের একাধিক বিয়ের কারণে। এর অন্যতম প্রধান কারণ বিবাহ নিন্ধন প্রকৃয়া এনালগ হওয়া। একই সাথে ভ‚য়া জন্ম নিবন্ধন করিয়েও বিবাহ নিবন্ধনের কথা সর্বত্রই শোনা যাচ্ছে। কিন্তু একবার থেবে দেখুন যে যদি এই বিবাহ নিবন্ধন প্রকৃয়া অনলাইনে হতো তাহলে কেউই প্রকৃত জন্ম নিবন্ধন বেতিত যেমন বিবাহ নিবন্ধন করতে পারত না সেই সাথে পারত না আবুল কালামের মত প্রতারনা করে একাধীক বিবাহ করতে।

সমস্যা ৭: ফারজানা আক্তার, পাদ্রিশিবপুর
আমাদের এলাকার বেশিরভাগ কর্মজীবী লোকজন নি¤œবিত্ত। এই সব নি¤œভিত্ত লোকজন করোনাকালীন সময়ে কাজ না থাকার কারণে তারা তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাদ্য ক্রয় করতে পারেনি। পাশাপাশি সরকাররের ত্রান সহায়তায় যে সকল খাদ্য সামগ্রী ছিলো তা একেবারেই শিশু খাদ্যের প্রয়োজন মেটাতে পারে নি। তার মধ্যেও আমি উপজেলা প্রশাষন কে ধন্যবাদ জানাই কারন সম্বানিত উপজেলা নির্বাহী অফিসার বাকেরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় নিজ হাতে শিশু খাদ্য বিতরন করেছেন । কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত ছিলো না। এর ফলে শিশুরা নানাপ্রকার পুষ্টিজনিত সমস্যায় ভুগছে।

সমস্যা নং ৮: জান্নাতি আক্তার, রঙ্গশ্রী
আমাদের বাকেরগঞ্জে বেশিরভাগ মানুষ নি¤œবিত্ত। এ কারণে তারা স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার সম্পর্কে জানে না, অনেকে আবার জানলেও দারিদ্রতার কারনে তা কিনে ব্যবহার করতে পারে না। স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবহার বিষয়ে অসেচেতনতার কারণে অনেক কিশোরীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে কারন তারা সেনিটারি ন্যাপকিনের পরিবর্তে বেছে নিচ্ছে ক্ষতিকর বিকল্প ব্যবস্থা।

সমস্যা নং ৯: অন্তু হাং, পাদরিশিবপুর
সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের বিদ্যালয়ে কিছু ফাষ্টএইড বক্স দেয়া হয়েছিলো যা অনেক আগেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে গিয়েছে। যার জন্য শিশুদের জন্য প্রকল্প থেকে আমাদের বিদ্যালযের খুদে ডাক্তারদের এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষনের পরে একটি করে ফাষ্টএইড বক্স দেয়া হয়েছে। এই সকল বক্সে কিছু ফাষ্টএইড উপকরন থাকলেও তাতে কোন ধরনের সাধারন ঔষুধ থাকে না। কারন বিদ্যালয় থেকে ঔষধ কেনার জন্য কোন বরাদ্দ থাকে না। আবার আমাদের অনেকেরই স্কুলের কাছাকাছি কোন কমিউনিটি ক্লিনিক নেই সুতরাং বিদ্যালয় চলাকালীন শিশুরা সাধারন আঘাত, মাথাবেথা, পেটে বেথা বা এ জাতীয় সাধারন অসুস্থতায় ক্লাস না করে বাড়িতে চলে যায়। এমতাবস্থায় যদি নিকটস্ত কমিউনিটি ক্লিনিক এর মাধ্যমে যদি আমাদের ফাষ্টএইড বক্স গুলোতে অষুধের ব্যবস্থা করত তাহলে এই কার্যক্রম একদিকে যেমন সচল থাকত আমাদের শিশুদেরও আর ক্লাস বন্ধ দিয়ে বাড়িতে যেতে হত না

সমস্যা ১০: সিয়ামুল ইসলাম লিটন, নিয়ামতি
বাংলাদেশের শেফালি নামের একটি মেয়ে শিশু যে ক্রাইম পেট্রোল দেখে আত্মহত্যা করে। করোনাকালীন সময়ে সকল শিশুরাই বাসায় থাকছে। তাদের একমাত্র বিনোদনের মাধ্যম টেলিভিশন। আমরা ছোটবেলায় মীনা কার্টুন দেখে জীবনকে কীভাবে সুন্দর করে গড়তে হয় তা শিখেছি। কিন্তু বর্তমানে টেলিভিশন খুললে দেখতে পাই শিশুর অনুপযোগী কিছু কিছু অনুষ্ঠান যা আমাদের শিশুর মানসিকতায় বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

সমস্যা ১১: সানজিদা আক্তার শান্তা
সুস্থ্য বিনোদনের অভাবে শিশুরা ইন্টারনেট, মাদক, মোবইলে গেম খেলায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। আমি বলতে চাই আমাদের এলাকায় যেসকল খেলার মাঠগুলো রয়েছে সেই খেলার মাঠগুলোতে খেলার সুযোগ সুবিধা থাকলেও এই মাঠগুলোতে এখন নানাগুলোকে নির্মান কার্যক্রম চলছে যার ফলে মাঠগুলোর আকার অনেকটা চিড়িয়াখানার খাঁচার মত অবস্থা হয়েছে। তার চাইতেও গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো আমাদের বাকেরগঞ্জে কোন শিশু পার্ক নাই যার ফলে শিশুরা তাদের বিনোদনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

সুপারিশসমূহ (মারজিয়া আক্তার, গারুরিয়া
স্বাস্থ্য বিভাগের সুপারিশসমূহ
সরকারের খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে প্রতিটি পরিবারের জন্য আলাদা ভাবে শিশু খাদ্য প্রদানের ব্যবস্থা করা। কমিউনিটি ক্লিনিক এবং বিদ্যালয়ে কিশোরী কর্ণার এর ব্যাবস্থা করে বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা প্রয়োজন। কমিউনিটি ক্লিনিক এর মাধ্যমে বিদ্যালয়ে ফাষ্টএইড বক্সের জন্য প্রয়োজনীও ও ব্যাবহার যোগ্য ঔষধের ব্যবস্থা করা।
সুরক্ষা বিভাগের সুপারিশসমূহ
বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে যে আইন রয়েছে তার কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা। শিশুশ্রম বন্ধে ও কর্মজীবী শিশুদেরকে বিদ্যালয়মুখী করতে সরকারের নানারকম প্রনোদনা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা। স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রতিনিধিদের বাল্যবিবাহ বন্ধের জন্য আরো সচেতন করা। বিবাহ নিবন্ধন প্রকৃয়া অতি সত্তর অনলাইন করার ব্যবস্থা করা, সেই সাথে জেলা বা উপজেলা অফিস হতে অনলাইন থেকে এডিট করে জন্ম নিবন্ধনের বয়স বাড়ানোর বিষয়টি কঠোর নজরদারিতে আনা।
শিক্ষা বিভাগের সুপারিশসমূহ
কাজে যোগ দেয়া শিশু ও তাদের পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয় মুখী করতে এসএমসি ও শিক্ষদের বিকল্প পদক্ষেপ প্রহন করতে হবে। যে সকল শিক্ষার্থীরা এখনো বিদ্যালয়ে এসাইনমেন্ট জমা দিতে আসেনি তাদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে বাড়ি ভিজিটের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যালয় খোলার পর বিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রছাত্রীদের হাত ধোয়ার জন্য সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করতে হবে।
বিনোদন বিভাগের সুপারিশ সমূহ
শিশুদের জন্য ক্ষতিকর টিভি চ্যানেল/ অনুষ্ঠান বন্ধের ব্যবস্থা করতে হবে। করোনাকালীন এই অবস্থায় শিশুদের অনলাইনকে নিরাপদ একটি প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহারে সরকারের নানমুখী অনলাইন ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করা।বাকেরগঞ্জ শহর কেন্দ্রিক সরকারী উদ্যোগে একটি শিশুপার্ক স্থাপন করা সেই সাথে প্রতিটি ইউনিয়ন এ শিশুদের বিনোদনের জন্য পার্ক স্থাপনের ব্যবস্থা করা।