মঠবাড়িয়া উপজেলার মিরুখালী এলাকায় মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় মেম্বার কে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছে সন্ত্রাসীরা।
গত রবিবার সকাল ১১ টায় মিরুখালী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আহত মোয়াজ্জেম ওই এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে এবং ৩ নং মিরুখালী ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার)।
বর্তমানে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হামলাকারী অভিযুক্তরা হলো, মিরুখালী এলাকার ফারুক ফরাজীর ছেলে মাদক ব্যবসায়ী মামুন ফরাজী, সগীর, সোহেল, সুমনসহ অজ্ঞাত নামা কয়েকজন।
হামলায় মোয়াজ্জেমের মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপে মারাত্মক জখম হয়েছে। তবে অবস্থার অবনতি হলে যেকোনো সময় থাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
আহত মোয়াজ্জেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে মিরুখালী এলাকায় ফারুক ফরাজীর ছেলে মামুন ফরাজী সহ তাদের সহযোগীরা মাদক ব্যবসাসহ অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে।
বিষয়টি নিয়ে কিছুদিন পূর্বে মামুনের মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে তরুণ ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন সহ তার কর্মীসমর্থকরা প্রতিবাদ করেন।
যে কারণে মামুন ও তার সহযোগীরা মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হয়।
ইউপি সদস্য মোয়াজ্জেম যুব সমাজের কথা চিন্তা করে মাদক মুক্ত মিরুখালী এলাকা ঘোষণা করেন।
কিছুদিন মাদক ব্যবসায়ী মামুন ও তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে নিরুদ্দেশ থাকে।
ঘটনার দিন গত রবিবার সকাল ১১ টায় মেম্বার মোয়াজ্জেম ইউনিয়ন পরিষদের কাজ শেষে মসজিদের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে হঠাৎ পরিষদের সামনে মোয়াজ্জেম হোসেনকে পথরোধ করেন মামুন ফরাজী ও তার বড় ভাই সগীর, সোহেল সুমণ সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সন্ত্রাসী।
একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মামুন সহ অন্যান্যরা মোয়াজ্জেম কে হত্যার চেষ্টায় কুপিয়ে রক্তাক্ত করেন।
স্থানীয়রা আহত মোয়াজ্জেমকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক মঠবাড়িয়া প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে আহতের স্বজনরা জানান।