• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরফ্যাশন দক্ষিণ উপকূল জুড়ে ‘ইয়াশ’ আতংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মে ২৪, ২০২১, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ
চরফ্যাশন দক্ষিণ উপকূল জুড়ে  ‘ইয়াশ’  আতংক

চরফ্যাশন ভোলা প্রতিনিধি॥
প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ইয়াশ’ উপকূলীয় দ্বীপ উপজেলা চরফ্যাশন দক্ষিণ উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনায় দুর্যোগ মোকাবেলায় সোমবার দুপুরের উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জরুরী প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।
খোলা হয়েছে জরুরী নিযন্ত্রন কক্ষ। দুয়োগকালীন ও দূর্যোগ পরবর্তী আপদ কালীন সময়ে উদ্ধার তৎপরতায় ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকায় সিপিপির ৩হাজার ৩শত স্বেচ্ছাসেবক কর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক রাখা হয়েছে।
বুধবার বিকাল নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি প্রবল হেরিকেনে প্রকট আকার ধারণ করে দ্বীপ জেলা ভোলাচরফ্যাশন উপজেলাসহ ৭ উপজেলার তৎসংলগ্ন নিম্মা ল ও চর সমূহ অতিক্রমের সম্ভবনায় উপকূল জুড়ে আতংঙ্ক বিরাজ করছে। বেতুয়া, ঘোষেরহাট, লেতরা স্টিমার বন্দর হতে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞায় নৌ-পথে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী কোন ল ছাড়েনি। নদী ও সমুদ্রের সকল মাছ ধরার নৌকা তীরবর্তী স্থানে রাখা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন বলেন, প্রশাসনের সকল প্রস্তুতি রয়েছে। ১শ ২২টি সাইক্লোন সেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগের পরিস্থিতি জরুরী ভিত্তিতে মোকাবেলায় মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। দুর্গম ইউনিয়ন ঢালচর, চর কুকরী-মুকরী, মুজিবনগর নিম্মা ল এলাকার লোকদের নিরাপদ আশ্রয়ে অন্যত্র সরিয়ে আনা কাজ চলছে।
ত্রান কর্মকর্তা মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, দুর্যোগপূর্ণ হিসেবে সবচেয়ে ঝুকির মধ্যে চরফ্যাসন উপজেলা। সোমবার দুর্যোগ প্রস্তুতির মোকাবেলায় ইতোমধ্যে ২০০ মেট্রিকটন শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে।
সিপিপি কর্মকর্তা মেজ্জবা আহম্মদ বলেন, উপকূলীয় চরফ্যাসন উপজেলায় ২১ টি ইউনিয়নে ৩ হাজার ৩শ জন স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরা প্রত্যন্ত এলাকায় মাইকিং চালিয়ে যাচ্ছে এবং দুর্যোগের ঝুকি মোকাবেলায় মানুষকে সতর্ক করার লক্ষ্যে প্রত্যেক ইউনিয়নে সতর্ক সংকেত পতাকা টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
চরফ্যাসন উপজেলা জলাবায়ু ফোরাম সভাপতি অসিম তালুকদার বলেন, আমাবশ্যার প্রভাবে চরফ্যাসন উপকূলের নদ-নদীতে ব্যাপক ভাবে পানি বাড়তে শুরু করেছে। আশংখ্যা করা হচ্ছে ভোলার উপকূলে ঘূর্ণিঝড ‘ইয়াশ’ আঘাত হানলে নিম্মা ল এলাকায় ১০ থেকে ১২ ফুট জলোস্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে।