এম ইসমাইল, ভোলা সদর
আজ বৃহস্পতিবার। এক সপ্তাহ লকডাউনের আজ প্রথম দিন। করোনাভাইরাস এর ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে সারাদেশে কঠোর লকডাউন দেন সরকার। আজকের এই প্রথম দিনে ভোলা সদর উপজেলার রাস্তাগুলোতে নেই কোন লোকজন। লোকালয়ে নেই কোন কোলাহল।
ভোলা শহর যেন আজ জনশূন্য। শুধু খেটেখাওয়া কিছু সংখ্যক মানুষ পেটের তাগিদে, পরিবারের লোকজনের খিদার আর্তনাদে বাহিরে বের হতে হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে তেমন টা বের হচ্ছে না।শহরের রাস্তাগুলোতে যাদেরকে দেখা যাচ্ছে তারা প্রয়োজনের তাগিদে বের হওয়া লোকজন।
ভোলা সহরের জিয়া সুপার মার্কেট, কে জাহান মার্কেট, তালুকদার ভবনসহ ছোট-বড় সব মার্কেট বন্ধ রয়েছে। শহরে পায়ে চালিত রিকশা ছাড়া, অটো রিক্সা বা বরাক দেখা যায়নি।
জরুরী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সার্ভিসের আওতায় (ফার্মেসি ,মুদির দোকান ,কুরিয়ার সার্ভিস ও কাঁচা বাজার) যথার্থ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল নিরাপত্তা নিশ্চিত করে খোলা রাখা হয়েছে।
সহরের নতুন বাজারে অবস্থিত বিসমিল্লাহ ফার্মেসি মালিক ইব্রাহিম বলেন,দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা সামাজিক দূরত্ব ও সরকারের নির্দেশিত আইন মেনে দোকান খোলা রেখেছি। দোকানে আসা ক্রেতাদের কে আমারা মাক্স পড়া ও স্যানিটাইজার ব্যবহার করার নির্দেশ দিচ্ছি।
ভোলা মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা ভোলাতে জনাব পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনা লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। ইঞ্জিনচালিত কোন যানবাহন চলতে দিচ্ছে না। বিশেষ করে পায়ে চালিত রিক্সা চলছে। এম্বুলেন্স চলছে ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামালের দোকান খোলা রয়েছে।