• ২২শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৮ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোলার পরানগঞ্জ পশুর হাটে ক্রেতা কম,বিক্রেতাদের ফেলেছে ভাবনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুলাই ১৪, ২০২১, ১৫:২৪ অপরাহ্ণ
ভোলার পরানগঞ্জ পশুর হাটে ক্রেতা কম,বিক্রেতাদের ফেলেছে ভাবনায়

এম ইসমাইল

ভোলা সদর উপজেলার পরানগঞ্জ পশুর হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতা বেশি। স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ।

সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, সদর উপজেলার পরাণগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পরানগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার মাঠে নানা রঙের কোরবানির পশু উঠেছে। কিন্তু বিক্রেতারা ক্রেতা সংকটে দিশেহারা।
ক্রেতা ও বিক্রেেদের মধ্যে অধিকাংশই মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। সামাজিক দূরত্ব ও মুখে মাক্স ছিলনা অনেকের। দুপুর ২ টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাটে অবস্থানের পর বিক্রি না হওয়ায় পশু নিয়ে আবার বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। হাটে তেমন কোন বড় গরু দেখা যায়নি।

বিক্রেতা মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি বাড়িতে ৯টি করে গরু পালন করে, সেগুলো কোরবানির সময় বিক্রি করি। কিন্তু এবার বাড়িতে কোনও ক্রেতা না যাওয়ায় হাটে এনেছি। কিন্তু ক্রয়ে করার মতো কোনো ক্রেতা নেই, গরুর দাম বলবে কে? হাটে যারা আসছে,তাদের অধিকাংশ লোক হাট দেখতে আসছে।

পরানগঞ্জ বাজারে মাংস বিক্রেতা আঃ রব বলেন, আজকে ঈদ উপলক্ষে প্রথম হাট বসছে, তাই আমি শুধু একটি গরু কিনছি। আগামী শনিবারে ঈদের জন্য আমি ১০ টি গরু ক্রয়ে করমু। আজকে হাটে যারা আসছে,তাদের অধিকাংশ লোক বেহুদা আসছে।

ভোলা সহর থেকে আশা রফিক মিয়া বলেন, করোনা ভাইরাস আমাদের পিছু ছাড়ছে না। আজকে হাটে যারা আসছে তাদের অধিকাংশ লোকর মুখে নেই মাক্স। প্রশাসনের দেখা পাইনি হাটে।

পরানগঞ্জ পশুর হাটের ইজারাদার মাইদুল বলেন, এবার হাট জমবে বলে মনে হচ্ছে না। আশপাশের প্রচুর গরু আমদানি হচ্ছে। কিন্তু বিক্রি নেই। এদিকে আজকে প্রথম হাট বসাতে কোনো ধরনের গতি লক্ষ করতে পারছি না। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের কে আমরা মাক্স পরিধান ও সামাজিক দ্রুত মেনে চলার জন্য মাইকের মাধ্যমে নিদেশ দিচ্ছি।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার পশুর টার্গেট রয়েছে ১ লক্ষ ২ হাজার ৬০টির। যাঁর মধ্যে মজুদ রয়েছে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৭৫৪টি পশু। এরমধ্যে গরু মজুদ আছে ৭৫ হাজার ৩০৪ টি, মহিষ ২ হাজার ৫৯২টি, ছাগল ২৭ হাজার ৪৭৪টি, ভেড়া ১ হাজার ৩শো ৮৪টি।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল আরো জানান,জেলায় এবার ৮টি অনলাইন খোলা হয়েছে পশু বেচা বিক্রির জন্য। সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধ না থাকলে এবং ভারতীয় গরু দেশে আসা বন্ধ হলে ভোলার খামারিরা ভালো দামে পশু বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।

স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ তবে কাচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশদের তৎপরতা দেখা গেছে