মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভুমিহীন ও গৃহহীন দেয়া প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পরিদর্শন করেছেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের নির্মান কাজ সম্পন্ন হওয়া ১শত ৪৭টি ঘরের মধ্যে মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের কপালভেড়া, আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া ও ঝাটিবুনিয়া এবং মাধবখালী ইউনিয়নের রামপুর এলাকায় নির্মিত ঘরগুলো পরিদর্শন করেন ও সুবিধাভোগীদের সাথে কথা বলে তাদের খোজ খবর নেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসাঃ তানিয়া ফেরদৌস, সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ রায়হান উজ্জামান, মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহিববুল্লাহ, কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আরাফাত হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভুমি ও গৃহহীনদের ঘর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পৃথিবীর ইতিহাসে একসঙ্গে এত ভূমিহীন মানুষকে জমিসহ ঘর দেওয়া একটি বিরল ঘটনা। প্রধানমন্ত্রীর এ উদ্যোগে ভূমিহীনরা যেমন মাথা গোঁজার ঠাঁই পেয়েছেন, তেমনি এ উদ্যোগ সারা বিশ্বে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এ প্রকল্প বাস্তবায়নে শতভাগ গুণগত মান বজায় রাখতে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। করোনা মহামারির মধ্যে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সকল দফতর এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে সমন্বয় করে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে তিন দফায় ২৭২টি ঘর বরাদ্দ পাওয়া যায়। প্রথম দফায় ৮০ লাখ ৩৭হাজার টাকা ব্যয়ে ৪৭টি, দ্বিতীয় দফায় ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০০টি এবং তৃতীয় দফায় ২কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২৫টি ঘর নির্মিত হচ্ছে। এরমধ্যে ১৪৭টি ঘরের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী ১২৫টি ঘরের কাজ অচিরেই শুরু করা হবে।
.