• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোলায় অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হারুনের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত আগস্ট ৩০, ২০২১, ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ভোলায় অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ  হারুনের

এম ইসমাইল,ভোলা সদর।।

ভোলায় অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছে না হতদরিদ্র রাজমিস্ত্রি হারুন। বাঁচার আকুতীতে চিকিৎসা করাতে আর্থিক সহযোগিতা চান সমাজের বৃত্তবানদের কাছে।

ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড চর আনন্দ পার্ট -১ মজিবুর মাস্টার বাড়ির, অসহায় মোতাহার হোসেনের ছেলে মোঃ হারুন (৩৪) ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন, ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়ে সাত তলা মাচার উপর থেকে নিচে পড়ে তার দুটি পা-ই অকেজো হয়ে যায। ধারদেনা করে সয়ে সম্পাতী বিক্রি করে দীর্ঘ ৩ বছর ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল, বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন।

অসহায় রাজমিস্ত্রি মোঃ হারুন এক সন্তানের জনক,তিনি চিকিৎসা খরচ তো দূরের কথা পরিবারের মুখে দুবেলা দুমুঠো ভাত তুলে দিতেই হিমশিম খাচ্ছে।গ্রামে ধারদেনা করে চলছে তার বর্তমান জীবন। ৩ বছর যাবৎ, ঢাকা, বরিশাল ভোলা সহ চিকিৎসার জন্য ধারদেনা করে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যায় করার পরেও সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেনী।এই অসহায় হারুনের ঘরে কান্নার রোল এ যেন নিত্যদিনের কার্যনীতি। গ্রাম থেকে ধার দেনা করে কতদিন ঔষধ কিনবে? গ্রামবাসী এখন ধার দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

রাজমিস্ত্রি হারুনের স্ত্রী কমলা বেগম জানান,আমার স্বামী দীর্ঘ ৩ বছর যাবৎ অসুস্থ, এর মধ্যে এই ওয়ার্ডের মেম্বার বা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান থেকে কোন সাহায্যে সহযোগিতা পাইনি এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন চাউলের সিলিপও পাইনি।
টাকার অভাবে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাতে পারি না। অন্যদিকে সংসার চলছে না, তিনবেলা দুমুঠো ভাত খেতে কষ্ট হয়। টাকার অভাবে ঔষধ কিনতে পারি না।এখন আমি ওষুধ কিনবো নাকি সংসার চালানোর জন্য চাউল কিনব।আমি সমাজের বৃত্তবানদের থেকে সহযোগিতা কামনা করি।

এলাকাবাসী জানান, রাজমিস্ত্রি হারুনের জন্য আমরা কয়েকজন মিলে এলাকার থেকে অল্প কিছু টাকা উঠিয়ে দিয়েছি সেই টাকা দিয়ে রাজমিস্ত্রি হারুনের কোন রকম ঔষধ কিনে। আমাদের এলাকার যারা আছে তাঁরাই সবাই মোটামুটি ভাবে তার চিকিৎসার জন্য দিয়েছি।
তাই রাজমিস্ত্রি হারুনের যেযে আকুতি ভোলাসহ দেশের বৃত্তবান ব্যক্তিদের কাছে রাজমিস্ত্রি হারুনের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা কামনা করছি। সহয়তা পাঠানোর ঠিকানাঃ
মোহাম্মদ হারুন
পিতা: মোতাহার হোসেন
পূর্ব ইলিশা চর আনন্দ পাঠ -১
বিকাশ (পার্সোনাল)০১৩২২১৭১৮৮২