সৈয়দ নূর-ই-আলমঃ
‘ভূমিহীন হওয়ায় চাকরি নিয়ে জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে বেতাগীর শেই সজল পুলিশে ট্রেনিংয়ের যোগাদানপত্রের নোটিশ হাতে পেয়েছেন। এতে সজরের পরিবারে খুশির বন্যা বইছে।
এমন খুশির সংবাদে সজলের পরিবার বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোর্টার ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রিপোর্ট ৭১ এ বলেন,’ নানা জটিলতার পরও চাকরি হওয়ায় তারা খুশি। তাদের পরিবারটি এখন স্বচ্ছল হবে। সজলের জীবনেও একটি গতি আসবে।
সজল কর্মকার অন্তর বলেন, স্থায়ী কোন জমি না থাকার জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে চাকরিটা পাচ্ছি।আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পুলিশ হেডকোর্টার ও সাংবাদিক ভাইদের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো।
সজলের বাবা অমল কর্মকার বলেন, ছেলের চাকরি হওয়ায় আমি আজীবন প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবো ও বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোর্টারের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবো।
বরগুনা পুলিশ সুপার মো.জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ হেডকোর্টার জানিয়েছেন সজলের চাকরির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল পদে আবেদন করে বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের দক্ষিণ হোসনাবাদ গ্রামে বসবাসরত সজল চন্দ্র কর্মকার অন্তর মেধা, শারীরিক যোগ্যতা যাচাইসহ সাতটি ধাপ পেরিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে তালিকায় চতুর্থ হয়। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশনে স্থায়ী কোন ভূমি না থাকায় চাকরি হওয়ার অনিশ্চয়তায় পরে সজল। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চাকরি নামের সোনার হরিণের দেখা পায় সজল।