• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মির্জাগঞ্জে নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ণ

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ঃ সেবার নামে হয়রানি। ভোটারকে না জানিয়েই ভোটার এলাকা পরিবর্তন! সামান্য ভুল সংশোধেনের জন্য একাধিকবার অফিসে ধরনা দিয়েও কাজ হচ্ছে না। মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ সকল অনিয়মের অভিযোগ করেন একাধিক ভূক্তভোগী।

জানাযায়, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, ভোটার স্থানান্তর, নতুন ভোটার হওয়াসহ বিভিন্ন কাজে অফিসে গিয়ে এ হয়রানির শিকার হচ্ছেন একাধিক সেবা গৃহীতারা। এছাড়াও ভোটারকে না জানিয়েই ভোটার এলাকা পরিবর্তন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো.শাহাদাৎ হোসেনের বিরুদ্ধে। এতে ওই ভোটাররা চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে জানা যায়।

উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের রানীপুর গ্রামের বাসিন্দা বিউটি বেগম । তিনি গত ইউপি নির্বাচনে ওই ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে চেয়েছিল। কিন্তু তার ভোটার এলাকা তাঁকে না জানিয়ে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী বাদল চৌকিদারের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগমের সাথে আঁতাত করে ৪নং ওয়ার্ডে স্থানান্তর করেন ওই নির্বাচন কর্মকর্তা । ফলে গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে অংশগ্রহন করতে পারেনি বিউটি বেগম।

ভূক্তভোগী বিউটি বেগম বলেন, আমি ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে ৭,৮ও ৯ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত সদস্য পদে অংশগ্রহন করি। গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন ফরম ক্রয় করি। মনোনয়ন ফরম পূরণ করে নির্বাচন অফিসে জমা দিতে গেলে তারা বলেন, আপনি ৪নং ওয়ার্ডের ভোটার। আপনি নির্বাচনে ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারবেন না। আমার ভোটার এলাকা আমাকে না জানিয়ে কিভাবে পরিবর্তন হলো জানতে চাইলে নির্বাচন কর্মকর্তা এ বিষয়ে সদুত্তর না দিয়ে বিষয়টি কাউকে জানাতে নিষেধ করেন। এতে আমি ওই নির্বাচনে প্রার্থী হইতে পারিনি।

আরেক ভূক্তভোগী মো. রিয়াজ কাজী বলেন, আমার জাতীয় পরিচয়পত্রের ভুল সংশোধনের জন্য একাধিকবার নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে গিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। যখনই যাই তখনই বলেন পরে আসেন।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো.শাহাদাৎ হোসেনের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আফিসে আসেন এ বিষয়ে অফিসে বসে কথা হবে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খান আবি শাহানুর খান বলেন, এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত আমি কোনো অভিযোগ পাইনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা.তানিয়া ফেরদৌস বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নিবেন বলে আশা করি।

#