হিজলা প্রতিনিধি
বরিশালের হিজলা উপজেলায় ২ সন্তানের জননীকে জোড়পূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।বর্তমানে ঐ জননী ৭ মাসের অন্তসত্তা রয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানাযায় উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনয়নের কোলচরের গুচ্ছ গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।জানাযায় অভিযুক্ত ধর্ষক সোনাবালি বিশ্বাসের ছেলে সহিদ বিশ্¦াস(৫০) ৪ সন্তানের জনক।ধর্ষনের শিকার ৭ মাসের অন্তসত্তা সাজাহান মাতুব্বরের মেয়ে ২ সন্তানের জননী জানায় গত ১২ বছর পূর্বে আমার স্বামী ২ সস্তান রেখে আমাকে ছেড়ে চলে যায়।আমি ২ সন্তানকে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কাজকর্ম করে জীর্বিকা নির্বাহ করি।সাত মাস পূর্বে গুচ্ছ গ্রামের সহিদ বিশ্বাস গভীর রাতে প্রকৃতির ডাকে আমি বাহিরে গেলে আমাকে জোড়পূর্বক ধর্ষন করে।আমি লজ্জায় বিষয়টি কাউকে বলিনি।কিছুদিন অতিবাহিত হলে আমি অন্তসত্তা হয়ে পড়ি।তখন সহিদ বিশ্বাসকে আমি অন্তসত্তার বিষয়টি জানাই।তখন তিনি কাউকে না বলার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায়।এ ঘটনাটি গুচ্ছ গ্রামের লোকজনের মাঝে ছড়িয়ে পরলে আমি সেখান থেকে বাবার বাড়িতে চলে আসছি।তিনি আরো জানায় অর্থের অভাবে আইনি আশ্রয় নিতে পারছেন না।
এ বিষয়ে সহিদ বিশ্বাসের স্ত্রী রানু বেগম জানায় ঐ মেয়েটি চরিত্র ভালো নয়।হয়তো অন্য কোথায় অপকর্ম করে আমার স্বামীর উপর দোষারোপ করছে।এ ঘটনার পর থেকে তার স্বামীর কোনো খোজ তিনি পাচ্ছেন না।তিনি আরো বলেন আমার স্বামী যদি এ ধরনের কাজ করে থাকে তার বিচার হওয়া উচিত।
গুচ্ছগ্রামের দলু সরদারের ছেলে কালাম সরদার বলেন আমি ধর্ষনের শিকার ৭মাসের অন্তসত্তা নারীর নিকট জানতে পারি সহিদ বিশ্বাস তাকে ৭ মাস পূর্বে জোড় পূর্বক ধর্ষন করছে।কিন্তু সহিদ বিশ্বাসের নিকট জানতে চাইলে সে অস্কীকার করেন।
গুয়াবাড়িয় ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ফয়সাল বিন বাসার বলেন আমি বিষয়টি শুনেছি।অন্তসত্তা মেয়েটি খুবই গভীর পরিবারের মেয়ে।ঘটনাটি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছে বলে শুনেছি।
গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাজাহান তালুকদার জানায় অন্তসত্তা নারী আমাকে বিষয়টি অবগত করেছে।আমি ঐ নারীকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পর্রামশ দিয়েছি।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমকর্তা মোঃ ইউনুস মিয়া জানায় এ ধরনের কোনো অভিযোগ আমার নিকট আসেনি।তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।