স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ‘সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের” প্রতিবাদে ও শতভাগ নিরাপত্তার দাবীতে এবং জেলা প্রশাসনের অবহেলার বিরুদ্ধে চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আজ শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে ১৫ মিনিট মৌন নীরবতা পালন করে। এসময় শিক্ষার্থীরা ধর্ষকদের বিচার ও হামলাকারীদের গ্রেফতার করে বিচারের দাবীতে বিভিন্ন লেখা প্লাকার্ড প্রদর্শন করে।
পরে এ কর্মসূচিতে শিক্ষকরাও একাত্মতা প্রকাশ করে চোখে কালো কাপড় ধারন করেন এবং তারা বিচারের দাবী জানান।
এছাড়া সন্ধ্যায় ৭ টায় মোমবাতি জ্বেলে আলোর মিছিলের কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে গণধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থী তার বন্ধুর সাথে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নবীনবাগস্থ হেলিপ্যাড থেকে হেঁটে বের হচ্ছিলেন। এ সময় একটি ব্যাটারী চালিত ইজি বাইকে কয়েক জন ব্যক্তি তাদের তুলে নেয়। পরবর্তীতে ৭/৮ জন মিলে তাদের হ্যালিপাডের পাশেই নির্মাণাধীন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসন স্কুল ও কলেজের ভবনে নিয়ে গিয়ে ওই শিক্ষার্থীর সাথে থাকা তার সহপাঠীকে মারধর করে ওই শিক্ষার্থীকে গণধর্ষণ করে। রাতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান গোপালগঞ্জ সদর থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে একটা মামলা দায়ের করেন।
এর প্রতিবাদে বহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকা খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। পরে বিকালে প্রশাসনের সাথে সমঝোতা বৈঠক হবার পর অবরোধ তুলে নেয়া হয়। কিন্তু কিছু শিক্ষার্থী সড়ক থেকে না সড়লে বরিহাগতদের হামলায় ৮ শিক্ষার্থী আহত হন। ছাত্রী ঘর্ষনের ঘটনায় র্যাব ৬ জন ও গোপালগঞ্জ পুলিশ আরো চার জনকে করে। #