হিজলা প্রতিনিধি।।
বরিশালের হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের ছয়গাঁও গ্রামে আবু বক্করের তার স্ত্রীকে আদালতের মাধ্যমে সতর্ক বার্তা দেওয়ার জন্য প্রথম তালাক দেওয়ায় স্ত্রীর ভাইয়ের নেতৃত্বে স্বামী আবু বক্করের ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট।
সরোজমিনে গিয়ে যানাযায় ছয়গাঁও গ্রামের হরযন আলীর ছোট ছেলে আবু বক্কর এর সাথে ৩ বছর পূর্বে একই গ্রামের আজিজ সিকদারের মেয়ে আকলিমার সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে বছর খানে তাদের সংশার ভালোভাবে চলছিল। এর পরেই তাদের পরিবারে নেমে আসে অশান্তির ঝড়। হরযন আলীর বড় ২ ছেলে পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করে, এদিকে আবু বক্করের স্ত্রী আকলিমা তার শ্বশুরের গ্রামের বাড়ির সমস্ত সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য প্রস্তাব করলে শ্বশুর অস্বীকার জানালে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলোহ আরো বৃদ্ধি পায়। এনিয়ে বছর অতিক্রম হলেও পরিবারের মধ্যে সমাধানের মুখ দেখা যায়নি। মাঝে মধ্যেই স্ত্রী আকলিমা তার মায়ের পরামর্শে স্বামীর বাড়ি থেকে চলে যেত। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মাতুব্বররা একাধিক বার সমাধান করার চেস্টা করেও ব্যর্থ হয়। গত ৩০ মে স্বামী আবু বক্কর আদালতের মাধ্যমে স্ত্রীকে সতর্ক করার জন্য প্রথম তালাক প্রদান করায় ঐ দিন সন্ধার দিকে স্ত্রী আকলিমার ভাই চিহৃত সন্ত্রাসী মিজান সিকদার তার দলবল নিয়ে হরযন আলীর বাড়িতে ঘন্টাব্যপি তান্ডব তালিয়ে ঘরবাড়ি ভাংচুর করে ঘরে থাকা নগদ ২ লক্ষ আশি হাজার টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে যায়। নিয়ে যাওয়ার সময় হরযন আলী ও পরিবারকে হত্যার হুমকি প্রদান করে। বর্তমারে ঐ পরিবার আতংকিত এমনটাই জানিয়েছে হরযন আলী।
আকলিমার স্বামী আবু বক্কর জানায় আমার স্ত্রী আমাকে একাধিক বার শারিরিক নির্যাতন করেছে বিষয়টি আমি আমার শ্বাশুরি কে জালালে তিনি বরেছে যা করেছে কম করেছে, তোকে মেরে ফেলা উচিৎ। আমি উপায়অন্ত না পেয়ে আমার সাজানো সংশার টিকিয়ে রাখার জন্য বরিশাল আদালতের মাধ্যমে সতর্ক স্বরুপ প্রথম তালাক প্রদান করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার স্ত্রীর বড় ভাই আমাকে এবং আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়।
সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহ করতে আকলিমার বাবার বাড়িতে গেলে আকলিয় পালিয়ে যায়।
মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান হাফিজিয়া মাদ্রাসার মোতাওয়ালী জয়নাল আহাম্মেদ জানায় বাড়ি ঘর ভাংচুরের ডাকচিৎকার শুনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে থামানোর চেস্টা করলে মিজান সিকাদার, সাইফুল সহ কয়েক জনে আমাকে ধাওয়া করে বাড়িতে এসে আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়। এব্যপারে আমার আতœ রক্ষাতে বরিশাল আদালতে একটি ৭ ধারায় মামলা করি।
আকলিমার ভাই মিজান জানায় বোনের তালাকের সংবাদে ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে গালমন্দ করি কিন্তু লুটপাট করিনি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ নাম প্রকাশে অনেকেই জানায় মিজান এলাকায় চিহৃত সন্ত্রাসী ওর ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে পারে না, এমনকি ওর বাবা ১৪ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে উপার্যিত অর্থ রেখে মিজান ও তার মা বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
সাওরা সৈয়দ খালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্য আব্দুর রহিম ঘর ভাংচুরের সত্যতা স্বীকার করে বলে স্থানীয়রা বিষয়টি মিমাংশা করার কথা যদি না করে তাহলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।