হাসান মাহমুদ \ বাংলাদেশের ইতিহাসের দীর্ঘতম পদ্মা সেতু উদ্বোধন করলেন বঙ্গবন্ধু কন্যা, খুশিতে দক্ষিণাঞ্চলবাসীর মনে বইছে আনন্দের বন্যা। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসীম সাহসকিতায় প্রবহমান পদ্মার বুকে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত সেতু উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরন হয়েছে। ফলে দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে সর্বত্র খুশির বন্যা বইছে।
শনিবার (২৫ জুন) বেলা এগারটা ৫৮ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর বারটা ৩৬ মিনিটে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-২ উন্মোচন এবং মোনাজাতে অংশগ্রহন প্রধানমন্ত্রী। দুপুরে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার কাঠালবাড়ী এলাকায় জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জনসভায় আওয়ামী লীগের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্ন পূরনের স্বাক্ষী হতে ও পদ্মা সেতুর উদ্বোধণকে স্মরনীয় করে রাখতে কাঠালবাড়ি লঞ্চঘাট থেকে স্বাধীনতার প্রতীক লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে বরিশাল বিভাগের লক্ষাধিক মানুষ আওয়ামী লীগের দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় অংশগ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী জনসভা শেষে দক্ষিণাঞ্চলের নেতাকর্মীরা পূর্ণরায় জল ও স্থলপথে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের স্বাক্ষী হতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের অসংখ্য গণমাধ্যমকর্মীরা যোগদান করেছেন। সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় প্লাট ফরম বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের (বিএমএসএফ) প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফরের নেতৃত্বে দক্ষিণাঞ্চলের তিন শতাধিক গণমাধ্যম কর্মীরা পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী জনসভায় অংশগ্রহণ করেছেন। অপরদিকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধণ দিনটিকে স্মরনীয় করে রাখতে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, আনন্দ র্যালী সহ বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।