হিজলা প্রতিনিধি, বরিশালের হিজলা উপজেলায় দশম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে প্রতারণা করে একাধিকবার ধর্ষণ।
হিজলা বিএল পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ।
বড়জালিয়া গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী খলিফার মেয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে একই বাড়ির ইউনুস মুন্সির বখাটে জামাই শহীদ বেপারী।
সরোজমিনে গিয়ে জানা যায় নিহত আইয়ুব আলীর স্ত্রী শারমিন সংসার পরিচালনা ও মেয়ের লেখাপড়া চালানোর জন্য। হিজলায় রেমেডি ক্লিনিকে আয়ার চাকুরী করছে। গতরাতে প্রতিদিনের মতো ক্লিনিকে কাজে আসে।
রাত আনুমানিক দশ দশটায় তার মেয়ে একাই ঘরে পড়তে ছিল সেই মুহূর্তে ঘরের পিছনের দরজা টোকাতে থাকে বখাটে শহীদ। একপর্যায়ে জানালা দিয়ে শহীদ মেয়েটিকে হুমকি দিয়ে বলে মোবাইলের ভিতরের সবকিছু মানুষকে দেখাবো উপয়ন্ত না মেয়েটি ঘরের দরজা খুলল শহীদ ঘরে প্রবেশ করে দরজা ও বাতি বন্ধ করে দেয়।
জামাই শহীদের এই বিষয়টি বাড়ির অনেকেই জানে। বাড়ির রাজ্জাক খলিফা যখন শহীদকে ঘরের পিছনে যেতে দেখল তিনি তখন ওত পেতে দেখে শহীদ ঘরে প্রবেশ করে দরজা ও বাতি বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি রাজ্জাক খলিফা বাড়ির সকলে জানালে তারা ঘরে এসে দরজা খুলতে বললে ভেতর থেকে দরজা না খোলায়
বাহির থেকে প্রতিটি দরজার ছিটকেরি আটকে দেয়। দরজা খোলার পরে দেখে শহীদ ঘরের মধ্যে বসে আছে।
মেয়ের মা শারমিন জানায় সংবাদ পেয়ে তিনি বাড়িতে ছুটে যায় মেয়ের এই ঘটনা দেখে তিনি অচেতন হয়ে পড়ে। তিনি আরো বলেন দরিদ্র হওয়ায় বিভিন্ন মহলের চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে পারছি না।
তাৎক্ষণিক স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বিষয়টি ধামাচাপ দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে বড়জালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান পন্ডিত শাহাবুদ্দিন আহমেদ উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে ৭০ হাজার টাকা মেয়ের পক্ষে দিয়ে দেয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন এমনটাই শোনা যাচ্ছে বিভিন্ন মহলে।
এদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন বলেন শহীদ অভাবে ওই মেয়ের কাছে যাতায়াত করেছে যা অনেকেই আমার কাছে এসে অভিযোগ করেছে। তিনি আরো বলেন ডকুমেন্ট আকারে এর যথেষ্ট প্রমাণ আছে।
হিজলা থানা অফিসার ইনচার্জ মিয়ার বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই তবে এখনই পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত করব।