মোঃ রাসেল হোসেন, বশেমুরবিপ্রবি :
ক্যাম্পাসের আঙিনায় শত শত কাশফুল আর আকাশে সাদা মেঘ! শুনলেই মনের আঙ্গিনায় ভেসে উঠে শরৎকালের নাম। আকাশে সচ্ছ মেঘের ভেলা শরৎ ছাড়া আর কে ভাসাতে তাইতো কবি নির্মলেন্দু গুণ তার কবিতায় শরৎের বন্দনায় বলেছেন,
ইচ্ছে করে ডেকে বলি, “ওগো কাশের মেয়ে―
আজকে আমার চোখ জুড়ালো তোমার দেখা পেয়ে
তোমার হাতে বন্দী আমার ভালোবাসার কাশ
তাইতো আমি এই শরতে তোমার কৃতদাস”।
আর এই শরৎতের সবচেয়ে বড় অনুষঙ্গ কাশফুল।
মেঘদলের পুলকিত আলোড়ন আর মৃদু হাওয়া প্রতিনিয়ত মন কাড়ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনাগুলোতে।বিশেষ করে সেন্ট্রাল ফিল্ড ও ২য় একাডেমিক ভবনের মাঠে। তাইতো শরৎের বন্দনায় কাশফুলে সুসজ্জিত হচ্ছে ক্যাম্পাস।
মধূমতি নদীর তৎপার্শবর্তী এ ক্যাম্পাসে শরৎতের আগমনী বার্তা নিয়ে ক্যাম্পাসটি কাশফুলে ভরে গেছে। বিশেষ করে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ আর হল চত্বর আর প্রশাসনিক ভবনের গা ভেসে চলা ২য় এক্যাডেমিক ভবনের পাশে কাশফুলের দেখা মিলবে।
পশ্চিম আকাশে সূর্য যাওয়ার পূর্বক্ষণে প্রতিলতা চত্তরের ভিড় বাড়ে শিক্ষার্থীদের। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে যায়, কেউবা প্রিয়তমাকে নিয়ে। হালকা বাতাসে কাশফুলের দোলের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেয় তারা। কেউবা সেই অনুভূতিগুলোকে ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দি করে। আবার কেউবা সঙ্গে সঙ্গে ফ্রেমবন্দি ছবি যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে জানান দেয় শরৎ এসেছে ধরায় ৷
বর্ষার শেষে নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা আর কাশফুলের শুভ্র সৌন্দর্য নিয়ে শরৎ আসে।নীল আকাশে সাদা মেঘের সারি সারি ভেলা আর মর্তে সুশোভিত কাশফুলের মেলা মোহিত করে মানুষের মন। কাশফুলের এই সৌন্দর্যে বিমোহিত না হওয়া মানুষের সংখ্যা নেই বললেই চলে।আর তাই তো শরতকে নিয়ে মানুষের এত জল্পনা- কল্পনা। শরৎের এই দৃষ্টিনন্দন দিনে বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাসে হয়ে ওঠে এক আনন্দের,প্রাণের মেলায় এমনটায় অনূভূতি প্রকাশ করছিলেন রাষ্ট্র বিজ্ঞানের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল আওয়াল।