নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বরগুনার বেতাগী পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভূমি অফিসের জায়গায় নির্মিত ঘর অবশেষে উচ্ছেদ করা হয়েছে। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে বরগুনা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা গেছে, এক বছর আগে পৌর শহরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সীমানার দেয়াল নির্মাণ করা হয়। ভূমি অফিসের সেই সীমানার মধ্যে রেকর্ড সূত্রে দুই শতাংশ জমির মালিকানা দাবি করেন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মারুফ রেজা রেজা। রেকর্র্ডীয় সূত্রে সেই মালিকানা দাবি করে দুই সপ্তাহ আগ থেকে ইট, বালু, সিমেন্ট দিয়ে ঘর নির্মাণ করেন। উপজেলা প্রশাসনের দাবি, ওই জমির মালিক তিনি নন। ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে ঘরটি অপসারণের জন্য পদক্ষেপ নেন। গত শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে উচ্ছেদ অভিযানে আসেন বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহফুজুর রহমান। খবর পেয়ে মারুফ রেজা ও তার লোকজন সেখানে জড়ো হয়ে ঘরের সামনে শুয়ে পড়েন। পরে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত করে ম্যাজিস্ট্রেট চলে যান।
গতকাল শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে বরগুনা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মোতাবেক ইট, বালু, সিমেন্ট দ্বারা নির্মিত দেওয়াল শ্রমিকরা ভেঙে ফেলে। শনিবার সাপ্তাহিক বাজারের দিন থাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সময় খাসকাচারি মাঠের কাঁচা বাজারের কেনাবেচা বন্ধ হয়ে যায়। উচ্ছেদ অভিযান শেষে জমির মালিকানা দাবি করা মারুফ রেজা মুঠো ফোনে বলেন, ওই জমির রেকর্ডীয় মালিকের কাছ থেকে ২০০২ সালে ২ শতাংশ জমি ক্রয় করেছি। ইউনিয়ন ভূমি অফিসকে সঠিক কাগজপত্র দেখানোর পরও সেই জমি খাস খতিয়ানে দাবি করে নোটিশ ব্যতিরেকে প্রশাসন জবর দখল করেন। এবিষয় আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জজ কোর্টে মামলা করবো।’এ বিষয়ে নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমান বলেন,‘ ১ নং খাস খতিয়ানের কাচারি বাড়ীর শ্রেণি জমি, যাহা বন্দোবস্ত অযোগ্য। এটা রাস্ট্রীয় সম্পদ। রাস্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব।’