মোঃ ইসমাইল ভোলা।।
সম্প্রতি ডেনমার্ক ও সুইডেনে পবিত্র কুরআনে শরীফে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ এবং বিতর্কিত পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের দাবিতে ভোলায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার (০৩ ফেব্রুয়ারী) বিকলে ৩টার দিকে ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তর শাখার আয়োজনে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলে দলটির নেতাকর্মীসহ হাজার হাজার মুসল্লি অংশগ্রহন করেন। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের কালিনাধ বাজার হাটখোলা মসজিদ চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে জুময়ার নামাজ শেষে হাটখোলা মসজিদ চত্বরে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ভোলা জেলার সভাপতি মুফতি ইয়াছিন নবীপুরী, ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তরের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) এম ওবায়েদ বিন মোস্তফা, ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তরের সহসভাপতি মাওলানা মিজানুর রহমান, সেক্রেটারী মাওলানা তরিকুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইলিয়াস হাসান, দপ্তর সম্পাদক এম এ হাসিব গোলদার, ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলার জয়েন সেক্রেটারী মুফতি আব্দুল মমিন, মাওলানা তাজউদ্দিন ফারুকী, ইসলামী আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ইউছুফ আদনান, ইসলামী যুব আন্দোলন ভোলা জেলা উত্তরের সাবেক সভাপতি এইচ এম ইব্রাহীম খলিল, সভাপতি মাওলানা শোয়াইব মাহমুদ প্রমূখ।
এসময় বক্তারা বলেন, ইসলামের সাথে পশ্চিমাদের আচরণে এটা দিবালোকের ন্যায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ইউরোপ আজো মধ্যযুগীয় সংকীর্ণ চিন্তা থেকে বের হতে পারেনি। স¤প্রতি সুইডেন ও ডেনমার্কে যেভাবে ঘোষণা দিয়ে পবিত্র কুরআনে অগ্নিসংযোগ করেছে যা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস ও প্রদ্ধার প্রতি আঘাত করা হয়েছে। কোনো সভ্য সমাজে এ ধরণের আচরণ চিন্তাও করা যায় না। সুইডেন ও ডেনমার্কে যা হয়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। একই সাথে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি যে, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেন ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জোড়ালো প্রতিবাদ জানাতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, ২০২৩ সালের মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে সাধারণ মানুষের বোধ-বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও জাতীয় স্বার্থকে উপেক্ষা করে সা¤প্রদায়িক উষ্কানি, তথ্য ও ইতিহাস বিকৃতি, বিতর্কিত ও অবৈজ্ঞানিক মানব সৃষ্টিতত্ত¡ অনুপ্রবেশ, ট্রান্সজেন্ডার, পৌত্তলিক ও ব্রাহ্মণ্যবাদী সংস্কৃতির আধিপত্য, ইসলামকে ভিনদেশি সাব্যস্ত করা এবং প্লেজারিজমের মত নিন্দনীয় কাজের আশ্রয় নেয়া হয়েছে; যা জাতি হিসাবে আমাদের জন্য উদ্বেগ ও হতাশার। তাই আমরা দ্রæত এ বিতর্কিত পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের দাবি জানাচ্ছি। তা না হলে আরো কঠোর আন্দোলন হুশিয়ারি দেন