নিজেস্ব প্রতিবেদক :
বিশ্বনাথ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে কলেজের বৃহত্তর স্বার্থে অনতিবিলম্বে কলেজের সহকারি শিক্ষক ( প্রভাষক সাংবাদিক আ্যডভোকেট) শংকু রাণী দাসকে প্রত্যাহার করার জন্য দাবী জানিয়েছেন বিশ্বনাথ পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র এবং বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক দুই বারের চেয়ারম্যান জনাব, মুহিবুর রহমান।
তিনি আজ ৬/০৩/২০২৩ ইং বিকেল চারটায় বিশ্বনাথ পৌরসভা কার্যালয়ে গণ মাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এই দাবী জানান।এসময় উপস্হিত ছিলেন, বিশ্বনাথ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোসাদ্দিক হোসেন সাজুল, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সায়েস্তা মিয়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক আনহার বিন সাইদ,দপ্তর সম্পাদক কবি এস.পি.সেবু প্রমুখ।
উল্লেখ্যঃ বিশ্বনাথ সরকারি কলেজের প্রভাষক শংকু রানী সরকারের একাধিক অসৌজন্যমূলক আচরণে ফুঁসে উঠে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ। ছাত্র ছাত্রীদের ব্যানারে বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত প্রতিবাদ সভা পালন করে।
শংকু রাণী সরকারের আচরণে কলেজ ক্যাম্পাস আজও ছিল উত্তাল। শংকু রানী কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের সাথে সাথে স্লোগানে স্লোগানে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ ছাত্র ছাত্রী ডিম ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে শিক্ষিকার উপর।
এমন উত্তেজনার খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ গাজী আতাউর রহমান ফোর্স সহ ঘটনাস্থলে পৌছান এবং আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে কলেজ কর্তৃপক্ষ, ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকদের শান্ত থাকার আহবান জানান। এবং সাথে সাথে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান ও কলেজে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
এসময় উপস্থিত ছাত্র ছাত্রী শংকু রানী দাসের অপসারণ চেয়ে বক্তব্য প্রদান করেন এবং বক্তারা উল্লেখ করেন; প্রতারণাকে পেশা বানিয়ে নিজের নারীত্বকে পূঁজি করে গায়ের জোরে সর্বক্ষেত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্থ থাকা ‘সিলেট জেলা আইনজীবি সমিতি কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ভূয়া আইনজীবি, ভূয়া সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী নামধারী কলেজের তথাকথিত প্রভাষক শংকু রাণী সরকারের আচরণে আজ অতিষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রশাসনের লোকজন। কলেজকে কলঙ্কমুক্ত করতে দ্রুত শিক্ষক নামধারী ওই প্রতারককে অপসারণ করতে হবে। নানান অপরাধের সাথে জড়িত থাকা বোরকা পার্টির সদস্য শংকু রাণী সরকারকে অপসারণ করা না হলে আজ থেকে কলেজের পরীক্ষা ও সকল প্রকার ক্লাস বর্জনসহ সর্বস্তরের জনসাধারণকে সাথে নিয়ে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহন করা হবে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে পৌর মেয়র মুহিবুর রহমান তার অপসারণ দাবী করে গণমাধ্যমে বিবৃতি প্রদান করেন।