কামরুল শিকদার চরফ্যাশন থেকে
সুদখোর স্বপন মৃধা র হাতে গ্রাম পুলিশ চকিদার রমিজ উদ্দিন মারাত্মক জখম হয়েছে ।আহত গ্রাম পুলিশ কে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করানো হয়েছে। তবে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ।আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টা দক্ষিণা আইচা থানার অধ্যক্ষ নজরুল নগর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড নুরুদ্দি গ্রামের মজুসরদার বাজার রহমান বিশ্বাসের দোকানে এ হামলার ঘটনা ঘটে ।হাসপাতাল হাসপাতালের বেডে আহত রমিজ চৌকিদারের স্বজনেরা জানান ,চর নুরুদ্দি গ্রামের স্বপন মৃধা ও তার স্ত্রী হেভি আক্তার সুদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করেন ।অসহায় ওই গ্রামের আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগম স্বপন মৃধা র কাছ থেকে পাঁচ বছর পূর্বে পাঁচ হাজার টাকা ধার নেয় । টাকা দিতে না পারা তারা গ্রাম ছেড়ে চট্টগ্রাম দীর্ঘদিন বসবাস করছে ।অবশেষে ওই টাকা সুদে আসলে অসহায় আব্দুল খালেক ও তার স্ত্রী আয়েশা বেগম ১৫ হাজার টাকা সুদ খোর স্বপন মৃধা কে দেয়। এরপরেও আরো টাকার জন্য আব্দুল খালেক দেশে আসলে গত সোমবার ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে রাত বারোটা পর্যন্ত ওই সুদখোর স্বপন ও তার আত্মীয় কচুয়া সরদার আটকে রাখে। অসহায় আব্দুল খালেকের পরিবারের লোকজন ওই ওয়ার্ড গ্রাম পুলিশ চৌকিদার রমিজ উদ্দিনের কাছে যায় ।রমিজ উদ্দিন তাদের কাকুতি-মিনতি শুনে রাত বারোটার দিকে স্বপন মৃধার কাছে গিয়ে দেখে ওই অসহায় আব্দুল খালেককে আটকে রাখা হয়েছে । চৌকিদার সেখান থেকে কলা কৌশলে আব্দুল খালেককে ছাড়িয়ে এনে স্থানীয় চেয়ারম্যান রুহুল আমিনের কাছে পাঠায়। এতে স্বপন মৃধা ও তার আত্মীয় জাহাঙ্গীর সর্দার ওরফে কচুয়া সর্দার ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টা রড দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে মাথা ফাটিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় । অসহায় আব্দুল খালেক জানান সুদের ব্যবসায়ী স্বপন মৃধা ৫০০০ টাকার স্থলে আমার স্ত্রী আয়েশা বেগম ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে ।আরও সুদের টাকার জন্য সোমবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত আমাকে আটকে রেখেছে। রাত বারোটার দিকে আমাকে চৌকিদার রমিজ উদ্দিন ছারিয়ে নিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে পাঠায় ।মঙ্গলবার সকালে চৌকিদারকে ওই সুদখোর স্বপন ও তার আত্মীয় কচুয়া সর্দার ব্যাপক মারধর করে মাথা পাঠিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে ওই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বলেন রড দিয়ে চৌকিদারকে মারধর করেছে শুনেছি। রমিজ উদ্দিন চৌকিদারের স্বজনেরা জানান আমরা আইনের সহায়তা চাচ্ছি।