• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কাছে এক টুকরো স্বর্গ হয়ে উঠেছে দশমিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুন ৪, ২০২৩, ১৩:০৯ অপরাহ্ণ

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরের মোহনার প্রায় ২৭ নটিক্যাল মাইল উচ্চতায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা। উপজেলাটির পূর্ব পাশে রয়েছে তেঁতুলিয়া নদী ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদ। এসব নদ-নদীর বুকে জেগেওঠা দ্বীপে যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজের হাতছানি। কৃত্রিমভাবে গড়ে ওঠা এ বনকে ঘিরে দিন দিন বাড়ছে দর্শনার্থীদের ভিড়। বিশেষ করে বনজুড়ে গড়ে উঠেছে পাখিদের অভয়ারণ্য। বর্তমানে ভ্রমণ পিপাসুরাও ছুটে আসছেন এখানকার মনোরম প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে। প্রকৃতিপ্রেমীদের মতে এ বনকে যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করলে এখানে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। নদ-নদীর পশ্চিম পাড়ে রয়েছে ব্লক দেয়া বেঁড়িবাধ। প্রতিদিন বেঁড়িবাধে শেষ বিকালের নদী দেখতে ভীর করে সব বয়সী মানুষ।
দর্শণীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে,বাবু নিবারণ রায়ের দীঘি,জলাশয়ে নির্মাণ করা সেজান পার্ক,বাকিমিয়া নারিকেল বাগান, সাদি তালুকদার বহুমূখী খামার,কাজী আনিচের লেবু বাগান,সুলতানের অম্রকানন ও বগুরার নবাবী কাচারী বাড়ি অন্যতম। প্রতিদিনই শত শত লোক এসে ভিড় জমাচ্ছে এসব স্থানে। এখানে পরিযায়ী পাখি থেকে শুরু করে নানা পাখিদের ওড়াউড়ি মুগ্ধ করে তোলে দর্শনার্থীদের। মনোরম দৃশ্য দেখার জন্য অনেকে লাইন দেন বনের কাছে এসে।
প্রয়াত বাবু নিবারণ রায়ের উত্তরসূরী বাবু গৌতম রায় বলেন, দীঘির পাড়ে বাংলো ও দীঘিকে বোট ব্যবস্থা করে দেব। দীঘি ও বাড়ীর কাঠের প্রাসাদ সৌন্দর্য্য বর্ধণে বড় বাজেট করেছি আমরা।একাধিক দর্শনার্থী বলেন, এলাকার মধ্যে এত সুন্দার সেজান পাক নির্মানে বিনোদনের ব্যবস্থা করেছে আমরা এখানে ছোট-বড় সব বয়সী মানুষ ঘুরতে এসে খুব আনন্দ পেয়েছি।