• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরগুনার তালতলীতে নিখোঁজের দুদিন পর গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৪, ১৩:৫৩ অপরাহ্ণ
বরগুনার তালতলীতে নিখোঁজের দুদিন পর গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

বরগুনা জেলা প্রতিনিধিঃ
বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলায় নিখোঁজের দুদিন পর সড়কের পাশে ঝোপ থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (০২ ফেব্রয়ারি) বেলা ১১ টার দিকে তালতলী উপজেলার চরপাড়া গ্রামের নকড়ি সড়কের পাশের ঝোপ থেকে সুখী ( ২০) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুখি উপজেলার চরপাড়া এলাকার মোঃ হাসান সর্দারের স্ত্রী।

এবিষয় নিহতের স্বজনরা জানান, স্বামী হাসান সর্দার সাগরে যাওয়ার পড়ে, গত (৩১ জানুয়ারি) বুধবার সন্ধ্যার পরে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার শ্বশুর বাড়িতে কাজ শেষে গৃহবধূ সুখী (২০) নিজ ঘরে চলে যায়। এরপর তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরে কোনো খোঁজ না পেয়ে চারদিকে খোঁজখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। নিখোঁজের দুদিন পর আজ শুক্রবার (০২ ফেব্রুয়ারী ) বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়রা, উপজেলা চার পাড়া গ্রামের নকড়ি সড়কের পাশে ঝোপের ভিতর তারা মরদেহ দেখতে পায় পরে পুলিশকে খবর দেন। এ সময় নিহতের গলায় শীতের মাফলা পেঁচানোসহ শরীরে আঘাতের বেশ কয়েকটি চিহ্ন পাওয়া গেছে, এবং নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়েছে বলে জানান পুলিশ। পরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত গৃহবধূর বাবা বাবুল ফকির জানান, আমাদের সন্দেহ আমার মেয়েকে শ্বশুর বাড়ির লোক হত্যা করে মরদেহ সড়কের পাশে ঝোপে ভিতর ফেলে রেখেছেন, আমি এঘটনার সঠিক বিচার চাই।

গৃহবধূর স্বামী হাসান সর্দার বলেন, আমার স্ত্রীর নিখোঁজের খবর শুনে আমি সাগরে মাছ ধরা রেখে এসেছি। এসে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করি। কোথাও না পেয়ে আজ সকালে আমার স্ত্রীর লাশ দেখে স্থানীয়রা আমাদের খবর দেয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কোনো শত্রু নেই। তবে যারা আমার স্ত্রীকে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলামা খান বলেন, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লাশ যে স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সেখানে এই ঘটনা ঘটেনি বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি রহস্যজনক। তবে তদন্ত করে সঠিক রহস্য বের করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে হত্যার সঠিক কারণ বলা যাবে।