মোঃ সোহাগ হাওলাদার, বরগুনা:
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব পড়েছে উপকূলীয় জেলা বরগুনায়। শনিবার বিকেল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। (২৬ মে) রবিবারও বৃষ্টির সাথে দমকা হাওয়া বইছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর এলাকায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি এলাকাবাসীকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থপনা কমিটি, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটিসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগটনের পক্ষথেকে মাইকিং করা হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ মোকাবিলায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহা: রপিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে বরগুনায় ৩টি মুজিবকেল্লা ও ৬৭৩টি আশ্রয়কেন্দ্র, ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক, ৪২২ মেট্রিকটন খাদ্যশস্য, ৩৭ লক্ষ নগদ অর্থ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বরগুনার আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আশরাফুল আলম জানিয়েছেন, উপজেলার আরপাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের বেড়িবাঁধ ভেঙে তিনটি ওয়ার্ড পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সময় যতই গড়িয়ে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তীব্রতা ততই বেড়ে চলেছে। এলাকাবাসীর মাঝে আতংক বিরাজ করছে।
ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি আর দমকা হওয়ায় বরগুনার জনজীবন হয়ে পড়েছে বিপর্যস্ত। কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমিকশ্রেণি। বন্ধ রয়েছে জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।