• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বশেমুরবিপ্রবি’র ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত জুলাই ৮, ২০২৪, ১২:৩৮ অপরাহ্ণ
বশেমুরবিপ্রবি’র ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) ২৩ বছর পূর্ণ করে ২৪ বছরে পদার্পণ করেছে। তবে অনিবার্য কারণে সীমিত পরিসরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সোমবার (৮ জুলাই ২০২৪) সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন করেন প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুল আলম। পরে কেক কেটে আনন্দ উদযাপন করে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার।

প্রসঙ্গত, দক্ষিণাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার অন্যতম বাতিঘর মহান মুক্তিযুদ্ধের অগ্রনায়ক, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মভিটা গোপালগঞ্জে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রণীত হয় ২০০১ সালের ৮ জুলাই। একই বছরের ১৩ জুলাই, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২০১০ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রথম ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগ দেয়া হয়। সবশেষ ২ সেপ্টেম্বর ২০২০ চতুর্থ ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম. মাহবুব নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে ২০১১-২০১২ শিক্ষাবর্ষে ৫টি বিভাগে ১৬০ শিক্ষার্থী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টির পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বর্তমানে ৩১৪ জন শিক্ষক, ১৫৯ জন কর্মকর্তা ও ২৩৬ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৪টি বিভাগে প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন রয়েছে।

দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. কিউ. এম. মাহবুবের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমান সরকার উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে যুগোপযোগী শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেছে, যে শিক্ষানীতির ফলে তৈরি দক্ষ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ শুধু দেশের সম্পদই নয় বিশ্বেরও সম্পদ হতে পারে। তাই দক্ষ প্রকৌশলী, প্রযুক্তিবিদ ও অন্যান্য বিষয়ের গ্রাজুয়েট তৈরির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টি কাজ করে যাচ্ছে।