• ২১শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৭ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে সেনা সদস্যদের উপর হামলা জেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩২’শ জনকে আসামী করে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত আগস্ট ২২, ২০২৪, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ
গোপালগঞ্জে সেনা সদস্যদের উপর হামলা জেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০৬ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৩২’শ জনকে আসামী করে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০৬ জনের নাম উল্লেখ করে ৩২’শ জন অজ্ঞাত আসামী করে মামলা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ১০ ইস্ট বেংগল, যশোর সেনানিবাস এবং গোপালগঞ্জ শেখ রেহানা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অস্থায়ী আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার লেঃ কর্ণেল মোঃ মাকসুদুল আলম বাদী হয়ে সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। (মামলা নং গোপা/জিআর ১৭/৩৩০)।

আজ বৃহস্পতিবার বিকালে গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনিচুর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিররনে জানাগেছে, আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করার প্রতিবাদে ১০ আগস্ট বিকেল ৫ টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর বাসস্ট্যান্ডে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী ও সমর্থকরা। যার ফলে রাস্তার দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকে পড়ে। দুস্কৃতিকারীরা যে কোন সময় গাড়ীতে অগ্নিসংযোগ করতে পারে এমন পরিস্থিতিতে সেখানে সাধারন মানুষ সেনাবাহিনীর সাহায্য চান।

পরে খবর পেয়ে মেজর মোঃ আকিকুর রহমান রুশাদের নেতৃত্বে গোপালগঞ্জে কর্তব্যরত সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভকারীদের মহাসড়ক ছেড়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে বলেন। এতে আন্দোলনকারীরা সেনা সদস্যদের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়লে এক পয্যায়ে সেনা বাহিনীর সদস্যদের উপর হামলা চালায়। এতে সেনাবাহিনীর চার কর্মকর্তাসহ ৯ জন আহত হয়। এছাড়া সেনাবাহিনীর দুইটি অস্ত্র (রাইফেল), ছয়টি ম্যাগজিন ছিনিয়ে নিয়ে একটি গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুইটি গাড়ি ভাংচুর করে।

এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুব আলী খান ও সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাব উদ্দিন আজমসহ নেতা কর্মী ও সমর্থক ১০৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত নাম আরো ৩২’শ জনকে আসামী করে ১০ বেঙ্গল রেজিমেন্টের লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মো. মাকসুদুল আলম বাদি হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বলেন, সেনা বাহিনীর সাথে যে ঘটনা ঘটেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে, এখনো কোন আসামী গ্রেপ্তার হয়নি।।#