• ২৫শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১১ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ববির উপ-উপাচার্যের সভায় উপাচার্যের বাঁধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫, ১৬:১১ অপরাহ্ণ
ববির  উপ-উপাচার্যের সভায় উপাচার্যের বাঁধা

ববি প্রতিনিধি: মোহাম্মদ উল্লাহ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী অ্যাকাডেমিক অগ্রগতি নিয়ে বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে আলোচনার জন্য আগামী ৯ই ফেব্রুয়ারী একটি সভার নির্দেশ দিয়ে উপ-রেজিষ্টারের কার্যালয় থেকে আজ ৬ই ফেব্রুয়ারী নোটিশ প্রদান করে।
এরই কিছুক্ষণের মধ্যেই রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে একই দিনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশে একটি নোটিশ দেওয়া হয়। এতে বলা হয় বিভাগীয় প্রধান গণ যেন উপ-উপাচার্যের ডাকা ঐ সভায় অংশগ্রহণ না করে। এতে আরো বলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী প্রশাসনিক প্রধান হলেন ভাইস চ্যান্সেলর তার অনুমতি ছাড়া কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী প্রধানের কাছে কোন পত্র প্রেরণ করা যাবে না তাই উপ- উপাচার্যের দেওয়া পত্রটি বেআইনি।
কিন্তু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৬-এর ১১ ক (৩) ধারায় দেখা যায়, ‘প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর একাডেমিক বিষয়াবলি, ভাইস-চ্যান্সেলরের অবর্তমানে তিনি দৈনন্দিন দায়িত্ব বা ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব এবং বিশ্ববিদ্যালয় আইন, সংবিধি ও বিধানাবলি বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন করবেন।’
নোটিশের বিষয়ে উপাচার্যের কাছে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শূচিতা শরমিনের সাথে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করার চেষ্ঠা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ।

নোটিশের বিষয়ে উপ-উপাচার্যের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, আমাকে সরকার নিয়োগ দিয়েছে । বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী একাডেমিক দায়িত্ব আমার। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে সুস্পষ্টভাবে তা বলা আছে । আমি একাডেমিক অগ্রগতি জানতে চেয়ারম্যানদের সাথে কি বসতে পারি না ? এটা বিধিবহির্ভূত হয় কিভাবে ? বরং আমাকে একাডেমিক দায়িত্ব গত তিনমাসেও বুঝিয়ে না দিয়ে সে আইনভঙ্গ করেছে ।