• ২৭শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাবিবুর রহমানের বড় ভাই খলিলুর রহমান জানান, হাবিবুরের পরিবারে বাবা-মা, স্ত্রীসহ হাসিব ও হাসান নামে দুই সন্তান রয়েছে। হাবিবুরের মৃত্যুর খবর শুনে তার অসুস্থ বাবা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। মা সংজ্ঞাহীন হয়ে গেছেন।   তিনি জানান, তার ভাই ছিল বটবৃক্ষের মতো। এলাকার সবাই তাকে ভালোবাসতো। গরিব, অসহায় মানুষের বিপদে এগিয়ে আসতেন, সাহায্য সহযোগিতা করতেন। যে কারণে এলাকার সবাই তাকে গরিবের বন্ধু বলে চিনতো। তার লাশ তার কথা অনুযায়ী বাসার পাশে নিজস্ব জমিতে দাফন করা হয়েছে। হা‌বিবু‌রের ছোট ছেলে হাসান সেনাবাহিনী‌তে কর্মরত।  ছেলে হাসিবুর রহমান জানান, তার বাবা হাবিবুর রহমানের চাকরির মেয়াদ ছিল মাত্র কয়েক মাস। চাকরি শেষ করে স্থায়ীভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে বসবাসের পরিকল্পনাও ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী বাসার নাম দিয়েছিলেন ‘সেনা নিকেতন।’ কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। তার স্বপ্নের ‘সেনা নিকেতনের’ আঙিনায় হলেন দাফন।  হাবিবুর রহমানের বড় ভাই মো. খলিলুর রহমান আরও বলেন, ‘আমরা পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে হাবিবুর দ্বিতীয়। ২৮ বছর আগে সেনাবাহিনীতে হাবিবুর রহমানের চাকরি হয়। ছয় মাস পরে রিটায়ার্ড হওয়ার কথা ছিল। আমাদের ভাইবোনদের মধ্যে হাবিবুর রহমান অন্যতম ছিল। আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে ভাইবোনদের নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখতো। আজকে তার পরিবারকে কী বলে সান্ত্বনা দেবো, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। ভাইকে হারিয়ে কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছে।’

হাবিবুর রহমানের বড় ভাই খলিলুর রহমান জানান, হাবিবুরের পরিবারে বাবা-মা, স্ত্রীসহ হাসিব ও হাসান নামে দুই সন্তান রয়েছে। হাবিবুরের মৃত্যুর খবর শুনে তার অসুস্থ বাবা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। মা সংজ্ঞাহীন হয়ে গেছেন। তিনি জানান, তার ভাই ছিল বটবৃক্ষের মতো। এলাকার সবাই তাকে ভালোবাসতো। গরিব, অসহায় মানুষের বিপদে এগিয়ে আসতেন, সাহায্য সহযোগিতা করতেন। যে কারণে এলাকার সবাই তাকে গরিবের বন্ধু বলে চিনতো। তার লাশ তার কথা অনুযায়ী বাসার পাশে নিজস্ব জমিতে দাফন করা হয়েছে। হা‌বিবু‌রের ছোট ছেলে হাসান সেনাবাহিনী‌তে কর্মরত। ছেলে হাসিবুর রহমান জানান, তার বাবা হাবিবুর রহমানের চাকরির মেয়াদ ছিল মাত্র কয়েক মাস। চাকরি শেষ করে স্থায়ীভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে বসবাসের পরিকল্পনাও ছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী বাসার নাম দিয়েছিলেন ‘সেনা নিকেতন।’ কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। তার স্বপ্নের ‘সেনা নিকেতনের’ আঙিনায় হলেন দাফন। হাবিবুর রহমানের বড় ভাই মো. খলিলুর রহমান আরও বলেন, ‘আমরা পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে হাবিবুর দ্বিতীয়। ২৮ বছর আগে সেনাবাহিনীতে হাবিবুর রহমানের চাকরি হয়। ছয় মাস পরে রিটায়ার্ড হওয়ার কথা ছিল। আমাদের ভাইবোনদের মধ্যে হাবিবুর রহমান অন্যতম ছিল। আত্মীয়-স্বজন থেকে শুরু করে ভাইবোনদের নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখতো। আজকে তার পরিবারকে কী বলে সান্ত্বনা দেবো, ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। ভাইকে হারিয়ে কষ্টে বুকটা ফেটে যাচ্ছে।’