কিন্তু আজ কেন আমি সেই সুশান্ত সিংহ রাজপূতের কথা তুলছি? কারণ, সুশান্তের পথের পথিক হতে চেয়েছিলাম আমিও।হ্যাঁ, আমিও আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলাম। আর আমিও অভিনেতা, আমিও বয়সে তরুণ।
আসলে কি জানেন, বেঁচে থাকার সব দরজা যখন বন্ধ হয়ে যায়, মুছে যায় শেষ আশাটুকুও, তখনই মানুষ চরম সিদ্ধান্ত নেয়। আমি নিজেও এই অবস্থার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। গত দেড় বছর ধরে টানা ওষুধ খাচ্ছি আমিও!
এই কথাগুলো লিখতে গিয়ে বার বার যন্ত্রণায় বুজে আসছে আমার গলা। সুশান্তের ব্যথা হয়তো আমি অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করতে পারছি। একটা সময় আমিও ওর মতোই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আত্মহত্যা করব। অনেক বার গুগল সার্চ করেছি, সুইসাইডের উপায় জানতে।
যেহেতু আমার দিকে পরিবারের অনেকগুলো মুখ তাকিয়ে তাই একটা সময় কাজের পরে কাজ করে যেতে হয়েছে, এখনও করছি। সমস্ত যন্ত্রণা দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করছি। এই যন্ত্রণা কিছু শব্দ বা বাক্য দিয়ে বোঝানোর নয়। এই ব্যথা উপলব্ধি করতে হয় মনের গভীর থেকে।
এই অবস্থা যখন চলতে থাকে সে সময় আমার কত নামডাক, আমি দেখতে কতটা সুন্দর, অর্থ, প্রতিপত্তি— কিচ্ছু মাথায় থাকে না। একটাই কথা মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে, জীবনের আর কোনও মানে নেই। আশা নেই। ক্লান্তিতে মন এতটাই ভরা থাকে যে মনে হয় সব ছেড়ে যাই এ বার! নতুন ছবি সাইনের কথাও তখন মাথায় থাকে না।