• ২৩শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জেমস’র নতুন চমক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত আগস্ট ২০, ২০২০, ১৪:০৫ অপরাহ্ণ
জেমস’র নতুন চমক

দেশে সেই ফেব্রুয়ারিতেই করোনাভাইরাস হানা দিয়েছিল। তখন থেকেই মূলত সবাই ঘরে বন্দি হতে শুরু করেন।

ধীরে ধীরে পরিস্থিতি ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করলে চলে আসে লকডাউন। এরপর প্রায় সারাদেশের মানুষই ঘরে বসে সময় কাটিয়েছে। যার ফলে অনেকেই লম্বা সময় বিরতি নিয়েছেন কাজকর্ম থেকে।

একই অবস্থা নগর বাউলখ্যাত দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা মাহফুজ আনাম জেমসের। নেই গান, নেই কনসার্ট। নেই কোনো ব্যস্ততা।

ঘরে বসেই লম্বা সময় কেটেছে তার ভীষণ রকমের নীরবতায়। করোনাকালে বিগত পাঁচ মাসে অনেক তারকারই খোঁজখবর মিলেছে। কিন্তু জেমস কোথায়, কেমন আছেন তিনি সেই সব জানা যায়নি কোথাও।

অবশেষে সেই নীরবতা ভাঙলেন তিনি। উঁকি দিলেন ফেসবুকে। উদয় হলেন ভক্তদের আকাশে।

দীর্ঘ পাঁচ মাস পর বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন নতুন লুকের একটি ছবি।

শ্মশ্রুমণ্ডিত সাদা-কালো এই ছবিটি প্রকাশের এক ঘণ্টার মধ্যেই ১০ হাজারেরও বেশি লাইক পড়েছে। ছবিটি শেয়ার হয়েছে ১৬ শ’য়েরও বেশি। সেখানে কমেন্ট পড়েছে সাড়ে সাতশরও অধিক!

একে তো প্রিয় তারকার সঙ্গে অনেক দিন পর দেখা। তার ওপর তিনি হাজির হলেন রহস্যময় এক নতুন লুক নিয়ে। ভক্তরা আপ্লুত হবেন বৈকি! জেমসের ছবি তাই দ্রুতই অন্তর্জাল দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে মুগ্ধতা ছড়িয়ে।

ছবিটির নিচে ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন জেমস। যার বেশিরভাগ মন্তব্যই এমন, ‘গুরু আবার দেখা হবে মঞ্চে, এ দেখাই শেষ দেখা নয়’ কিংবা ‘গুরুজি বেঁচে থাকুন অনন্ত এক কোটি বছর, পৃথিবীটা সুস্থ হোক’। আবার কনসার্টে গলা মিলিয়ে গান হবে ইনশাআল্লাহ। আপনার চরণে হাজারও ভক্তি।’

জানা গেছে, চলমান করোনা সংকটের সময়টায় জেমস অবস্থান করছেন স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে রাজধানীর নিজ ফ্ল্যাটেই। হোম স্টুডিওতে করছেন নিয়মিত জ্যামিং।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে প্রকাশ হয় জেমসের গাওয়া শেষ গান ‘তোর প্রেমেতে অন্ধ হলাম’। ‘সত্তা’ ছবির এই গানটির জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও জয় করেছেন। অন্যদিকে তার প্রকাশিত শেষ অ্যালবাম ছিল ‘কাল যমুনা’। সেটি প্রকাশ পেয়েছিল ১২ বছর আগে।

গান গাওয়ার পাশাপাশি ছবি তুলতেও বেশ পারদর্শী জেমস। এ কাজে তিনি ভীষণ মনোযোগীও।

তার তোলা অনেক ছবি এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে যেমন আছে বিভিন্ন তারকার মডেল ফটোগ্রাফি তেমনই তার ছবিতে উঠে এসেছে প্রকৃতি।