• ২৩শে জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই আষাঢ়, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিজয় নিশান উড়ছে ঐ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত মার্চ ২৬, ২০২১, ০৬:০১ পূর্বাহ্ণ
বিজয় নিশান উড়ছে ঐ

ফিরোজ আহমেদ বাবলু
আজ বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ করছে। কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সংহত করার নতুন শপথে বলিয়ান হওয়ার দিন আজ। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষের’ মাহেন্দ্রক্ষণে উদ্যাপিত হচ্ছে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’। এটি সমগ্র বাঙালি জাতির জন্য এক আনন্দঘন গৌরবের অনুভূতি —
বাংলাদেশের গৌরবময় স্বাধীনতা দিবস ও সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা
ও বাংলাদেশ গণশিল্পী সংস্থা কেন্দ্রের সভাপতি
সুজেয় শ্যাম, তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় কালজয়ী গানগুলো গেয়ে আমরা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি সমগ্র জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিলাম। মুক্তিযোদ্ধারা কিভাবে আমাদের ঠিকানা জানতেন, সেটা আমরা জানতাম না। তারা প্রায়ই আমাদের চিঠি দিতেন। তারা আমাদের আরও গান করে, তাদের অনুপ্রেরণা দেয়ার জন্য বলতেন।
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রচারিত প্রথম গান ‘বিজয় নিশান উড়ছে ঐ’ – যেটি সুর করেছিলেন সুজেয় শ্যাম৷ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের এই সুরকার।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে গিয়ে সুজেয় শ্যাম শুনতে পান যে, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে এবং তাঁকে তখনই বিজয়ের গান তৈরি করতে হবে৷ গীতিকার, শব্দসৈনিক শহীদুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে লিখে ফেলেন একটি গান৷
এরপর চটজলদি তাতে সুরারোপ করে ফেলেন সুজেয় শ্যাম৷ সঙ্গে সঙ্গে রেকর্ড করা হয় সমবেত কন্ঠে৷ মূল কন্ঠ গায়ক ও সুরকার অজিত রায়ের৷ স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম গান হিসেবে প্রচারিত হয় ‘বিজয় নিশান উড়ছে ঐ’৷
মুক্তি যুদ্ধকালে আরো গান করেছেন সুজেয় শ্যাম৷ তবে এই বিশেষ গানটির ব্যাপারে বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি৷ বিজয় দিবসের এই গানটি তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন৷